নোয়াখালী জেলা পরিচিতি
বাংলাদেশের দক্ষিণে মেঘনা ও বঙ্গোপসাগরের মোহনায় অবস্থিত চট্টগ্রাম বিভাগের একটি সুপ্রাচীন জনপদ নোয়াখালী জেলা। জেলার আয়তন ৪২০২.৭০ বর্গ কিঃমিঃ। এর উত্তরে কুমিল্লা জেলা, দক্ষিণে মেঘনার মোহনা এবং বঙ্গোপসাগর, পূর্বে ফেনী এবং চট্টগ্রাম জেলা, পশ্চিমে লক্ষ্মীপুর এবং ভোলা জেলা। চাটখিল, সেনবাগ, সোনাইমুড়ী, বেগমগঞ্জ, নোয়াখালী সদর, কবিরহাট, কোম্পানীগঞ্জ, সুবর্ণচর, হাতিয়া এই ৯টি উপজেলা নিয়ে নোয়াখালী জেলা গঠিত। এ জেলার মোট জনসংখ্যা ৩৩,৭০,২৫১ জন । কৃষি, মৎস্য শিকার ও পশু পালন এ অঞ্চলের প্রধান জীবিকা। কবিতার ভাষায় জেলাটিকে এভাবে বর্ণনা করা হয়েছে-
“ হাট বাজার নদী খাল, নারিকেল সুপারী তাল
ভাঙা গড়ার চোরাবালি, তারই নাম নোয়াখালী ’’
ঐতিহ্যগতভাবে এ জেলার মানুষ কর্মঠ, বুদ্ধিমান ও সত্যানুসন্ধানী। ধর্মপ্রাণ এ জেলার লোকজন হিন্দু মুসলমান এক অনুসরণীয় ভ্রাতৃত্ববন্ধনে বসবাস করেন। অক্লান্ত পরিশ্রমী এই মানুষগুলোকে বিগত ১৭৭২ সাল থেকে অনবরত সেবা দিয়ে আসছে জেলা প্রশাসন। কিন্ত এ পদ্ধতি আধুনিক লাগসই প্রযুক্তি নির্ভর না হওয়ায় এতে জনগণের মতামতের অংশগ্রহণ আশানুরুপ ছিল না। সরকার ঘোষিত ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে সেবার মানকে আরও একধাপ এগিয়ে নিতে জেলা ওয়েব পোর্টাল তৈরির এক মহতী উদ্যোগ গৃহীত হয়েছে। এর মাধ্যমে সম্মানিত সেবাপ্রত্যাশী জনগণ জেলার সকল দপ্তরের প্রদত্ত সেবা সম্পর্কে অবগত হতে পারবেন অপরদিকে প্রয়োজনীয় মতামত কিংবা ক্ষেত্র বিশেষে আপত্তি উথ্বাপন করতে পারবেন। জেলার সকল অধিবাসী এবং প্রবাসীসহ দেশের আপামর জনগণ এর মাধ্যমে অনেক উপকৃত হবেন বলে আশা করা যায়।
এক নজরে নোয়াখালী জেলা
|
জেলার পটভূমি
নোয়াখালী জেলার মর্যাদা পায় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী কর্তৃক এদেশে জেলা প্রশাসন প্রতিষ্ঠার প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার সময় থেকেই। ১৭৭২ সালে কোম্পানীর গভর্নর জেনারেল ওয়ারেন হেস্টিংস এদেশে প্রথম আধুনিক জেলা প্রশাসন ব্যবস্থা প্রবর্তনের প্রচেষ্টা নেন। তিনি সমগ্র বাংলাদেশকে ১৯টি জেলায় বিভক্ত করে প্রতি জেলায় একজন করে কালেক্টর নিয়োগ করেন। এ ১৯টি জেলার একটি ছিল কলিন্দা। এ জেলাটি গঠিত হয়েছিল মূলতঃ নোয়াখালী অঞ্চল নিয়ে। কিন্ত ১৭৭৩ সালে জেলা প্রথা প্রত্যাহার করা হয় এবং প্রদেশ প্রথা প্রবর্তন করে জেলাগুলোকে করা হয় প্রদেশের অধীনস্থ অফিস।
১৭৮৭ সালে পুনরায় জেলা প্রশাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয় এবং এবার সমগ্র বাংলাদেশকে ১৪টি জেলায় ভাগ করা হয়। এ ১৪ টির মধ্যেও ভুলুয়া নামে নোয়াখালী অঞ্চলে একটি জেলা ছিল। পরে ১৭৯২ সালে ত্রিপুরা নামে একটি নতুন জেলা সৃষ্টি করে ভুলুয়াকে এর অন্তর্ভূক্ত করা হয়। ১৮২১ সালে ভুলুয়া নামে নোয়াখালী জেলা প্রতিষ্ঠার পূর্ব পর্যন্ত এ অঞ্চল ত্রিপুরা জেলার অন্তর্ভূক্ত ছিল।
নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর ও ফেনী মহকুমা নিয়ে নোয়াখালী জেলা গঠিত হয়। এটি চট্টগ্রাম বিভাগের অর্ন্তভূক্ত একটি বিশাল জেলা হিসেবে পরিচালনা হয়ে আসছিল। ১৯৮৩ সালে সরকারি সিদ্ধান্ত মোতাবেক সকল মহকুমাকে জেলায় রূপান্তর করা হলে লক্ষ্মীপুর ও ফেনী জেলা আলাদা হয়ে যায়। শুধুমাত্র নোয়াখালী মহকুমা নিয়ে নোয়াখালী জেলা পুনর্গঠিত হয়। তখন এ জেলায় উপজেলা ছিল ছয়টি। পরবর্তীতে আরো তিনটি উপজেলার সৃষ্টি করা হয়। এবং বর্তমানে জেলায় মোট উপজেলার সংখ্যা নয়টি। জেলার একটি বিশেষত্ব হলো আটটি উপজেলা মূল ভূখন্ডের সাথে রয়েছে। আর হাতিয়া নামক উপজেলাটির কিছু অংশ জেলার মূল ভূখন্ডের সাথে সংযুক্ত থাকলে ও বৃহত্তর অংশ (মূল হাতিয়া) এর চর্তুদিকে মেঘনা নদী দ্বারা বেষ্টিত একটি বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা।
নোয়াখালী জেলার উত্তরে কুমিল্লা জেলা, দক্ষিণে মেঘনার মোহনা এবং বঙ্গোপসাগর, পূর্বে ফেনী এবং চট্টগ্রাম জেলা, পশ্চিমে লক্ষ্মীপুর এবং ভোলা জেলা।
নোয়াখালী জেলা সদর বর্তমানে যে জায়গায় অবস্থিত সে জায়গায় প্রথম থেকেই ছিল না। ঘন ঘন নদী ভাঙ্গনের ফলে পঞ্চাশের দশকে জেলার সদরকে বর্তমান জায়াগায় স্থানান্তর করা হয়। এবং স্থান্তরিত জায়গায় (বর্তমান জেলা সদর) প্রয়োজনীয় স্থাপনা গড়ে তোলা হয়। পূর্বেকার জেলা সদরটি নদী ভাঙ্গনের ফলে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। খূব অল্প সময়ের মধ্যেই সেখানে চর জেগে উঠে। বর্তমানে সেখানে নেই কোন লাল ইটের স্থাপনা, নেই কোন শহুরে যান্ত্রিকতা তার পরবর্তে রয়েছে দিগন্ত প্রসারিত সবুজ শ্যামল মাঠ।
ভৌগোলিক প্রোফাইল
সীমাঃ
বাংলাদেশের দক্ষিণে মেঘনা ও বঙ্গোপসাগরের মোহনায় অবস্থিত চট্টগ্রাম বিভাগের একটি সুপ্রাচীন জনপদ নোয়াখালী জেলা। জেলার আয়তন ৩৬০৭.৫০ বর্গ কিঃমিঃ। এর উত্তরে কুমিল্লা জেলা, দক্ষিণে মেঘনার মোহনা এবং বঙ্গোপসাগর, পূর্বে ফেনী এবং চট্টগ্রাম জেলা, পশ্চিমে লক্ষ্মীপুর এবং ভোলা জেলা।
অবস্থানঃ
নোয়াখালী জেলা উত্তর গোলার্ধে নিরক্ষ রেখা এবং কর্কট ক্রান্তি রেখার মধ্যবর্তী ২২০ ০৬/ থেকে ২২০ ১৭/ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯০০ ৩৮/ থেকে ৯১০ ৩৫/ পূর্ব দ্রাঘিমাংশে অবস্থিত এবং সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে আনুমানিক গড়ে ১৬¢ ফুট উচ্চে অবস্থিত।
আয়তনঃ
নোয়াখালী জেলা উত্তর-দক্ষিণে দীর্ঘ। জেলার বর্তমান আয়তন ৩৬০৭.৫০ বর্গকিমি। তার মধ্যে দক্ষিণাঞ্চলে প্রায় বিশাল অংশে হাতিয়া দ্বীপ হাতিয়া। যার আয়তন প্রায় ৫৭৪ বর্গমাইল।
জলবায়ুঃ
নোয়াখালী জেলা ক্রান্তীয় মেীসুমী জলবায়ুর অন্তর্ভূক্ত। গ্রীষ্মকালে দক্ষিণ পশ্চিম দিক ও শীতকালে উত্তর পূর্ব দিক থেকে বায়ু প্রবাহিত হয় । ভৌগলিক বিশেষজ্ঞদের মতে নোয়াখালী জেলা মৌসুমী এলাকার ক্রান্তীয় সামুদ্রিক জলবায়ূর অর্ন্তভূক্ত । মৌসুমী বায়ূর প্রভাবে গ্রীষ্মকালে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়
ভূমি সংগঠনঃ
নোয়াখালী মূলত পলিবিধৌত সমভূমি। এই সমভূমির মাটি বালিমিশ্রিত। ভূমি সংগঠনের দিক থেকে জেলার মৃত্তিকা উত্তর অঞ্চল এবং দক্ষিণ অঞ্চল দুই ভাগে ভাগ করা যায়। উত্তরাঞ্চলের মাটি দোয়াঁশ এবং পলিবহুল সেখানে ধান,পাট,শাক-সবজি ইত্যাদির চাষ হয়ে থাকে। জোয়ার ভাটার জন্য সামুদ্রিক পানি দক্ষিন অঞ্চলের নদীগুলোতে প্রবাহিত হয় বলে সেখানে মাটিতে লবনাক্ততার পরিমান বেশি। নদীতীরবর্তী অঞ্চলে বর্তমানে উচু বাঁধ নির্মান করার ফলে ধান এবং অন্যান্য ফসলাদির চাষাবাদ সম্ভব হয়েছে। বাঁধ দেওয়ার ফলে জমি লবনাক্ততাও অনেকাংশে কমে গেছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও নিম্নঅঞ্চলের অবক্ষেপনের ফলে এখনো স্থানে স্থানে ভূমি সংগঠন চলছে। দক্ষিণ অঞ্চলের বিলে জলজ পচনশীল উদ্ভিদ ও নদীর পলি সংমিশ্রণে কালো ও আঁশযুক্ত এক প্রকার মাটির স্তর গড়ে ওঠে। এই মাটি সংমিশ্রিত হয়ে এক বিশেষ পর্যায়ে পৌছানোর পর সেখানে ভাল ফসল জন্মায়।
শিল্প ও বাণিজ্য
শিল্প
কারখানার দিক দিয়ে নোয়াখালী অতীতকাল থেকেই অবহেলিত এবং অনগ্রসর। জন সম্পদে
এ জেলার ঐতিহ্য থাকলেও শিল্প স্থাপনে সরকারি ও বেসরকারি তেমন কোন উদ্যোগ
নেই বললেই চলে। এ জেলারই বহু অধিবাসী দেশের বিভিন্ন স্থানে বড় বড়
শিল্পকারখানা স্থাপন করেছেন। অথচ এ জেলার জনগণ কাজের খোঁজে দেশ-বিদেশে
হন্যে হয়ে বেড়াচ্ছে। এত অনীহা এবং অবহেলা সত্বেও হালে কিছু শিল্প কারখানা
স্থাপিত হয়েছে। নিম্নে কিছু ভারীশিল্প প্রতিষ্ঠান এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাময়ী
কিছু মৎস চাষ প্রকল্পের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি উপস্থাপন করা হলোঃ
ডেল্টা জুট মিলস লিঃ
বৃহত্তর
নোয়াখালীর ঐতিহ্যবাহী ডেল্টা জুট মিলস্ লিঃ ১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৭২
সালে মিলটি জাতীয়করণ করা হয়। ৫ কোটি টাকার পুঁজি যা প্রতিটি ১০ টাকা দরে
৫০,০০,০০০ সাধারণ শেয়ারে অন্তর্ভুতক্ত করা হয়। ৬০ একর এলাকা নিয়ে মিলখানা
চালু করা হয়। প্রায় ৫,০০০ শ্রমিক কর্মচারী এ কারখানায় কাজ করার সুযোগ পান।
মালিক শ্রমিক সম্পর্কের জটিলতার কারণে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর মিলটি
বর্তমানে পুনরায় চালু হয়েছে। মিলটি বর্তমানে বেসরকারি মালিকানাধীনে
পরিচালিত হচ্ছে।
হাবিব ভেজিটেবল প্রোডাক্টস লিঃ
মেসার্স
আল আমিন ব্রেড এন্ড বিস্কুটস্ ফ্যাক্টরীর উদ্যোক্তা আলহাজ্ব হাবিবুর
রহমানের বিশেষ প্রেরণায় তাঁর বড় ছেলে জনাব আনোয়ার মির্জার অক্লান্ত পরিশ্রম
ও প্রচেষ্ঠায় এবং তাঁর অন্যান্য ভাই জনাব সারোয়ার মির্জা, জনাব আক্তার
মির্জা, জনাব আজিজ উল্যা ও জনাব আফজল মির্জার সহযোগিতায় ১৯৮৭ সালে নোয়াখালী
জেলার শহরের মাইজদী বাজারে মেসার্স হাবিব ভেজিটেবল প্রোডাক্টস লিঃ স্থাপিত
হয়। প্রাথমিক পর্যায়ে ব্যাংকের অর্থায়ন এবং নিজেদের অর্থসহ প্রায় ১২ কোটি
টাকার মূলধন ব্যয়ে পশ্চিম জার্মানীর সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে আন্তর্জাতিক
মান সম্পন্ন ভোজ্য তেল শোধানাগার এবং বনস্পতি প্রস্তুতকারী এ বৃহৎ
প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ৫ একর ভূ-সম্পত্তির উপর স্থাপিত। বৎসরে প্রায় ৫৪ হাজার
টন তৈল উৎপাদনে সক্ষম এ প্রকল্পে ১৯৮৮ সাল থেকে উৎপাদন শুরু হয়েছে। এ বৃহৎ
প্রতিষ্ঠানটিতে বর্তমানে ৩০০ শ্রমিক কর্মচারী নিয়োজিত থেকে জেলার বেকার
সমস্যা সমাধানসহ জাতীয় অর্থনীতি উন্নয়নে বিশেষ অবদান রাখছে। চেয়ারম্যান
আলহাজ্ব হাবিবুর রহমান এর মৃত্যর পর তাঁর উত্তরসূরী ভাইস চেয়ারম্যান জনাব
সারোয়ার মির্জা, ব্যবস্হাপনা পরিচালক জনাব আফজল মির্জা সমন্বয়ে পরিচালনা
পর্ষদের তত্ত্বাবধানে এ বৃহৎ প্রতিষ্ঠানটি আর্থিক সমস্যা এবং লোকসানের
সম্মুখীন হলে তাঁদের অগ্রজ জনাব আনোয়ার মির্জার নিকট প্রতিষ্ঠানটি বিক্রি
করে দেন। সে থেকে অদ্যাবধি উৎপাদন প্রক্রিয়া অব্যাহত আছে।
আল আমিন ব্রেড এন্ড বিস্কুটস্ লিঃ
মেসার্স
আল আমিন ব্রেড এন্ড বিস্কুটস্ ফ্যাক্টরী ১৯৭৬ সালে নোয়াখালী জেলার
কেন্দ্রস্থল মাইজদী বাজারে স্থাপিত হয়। মাইজদী বাজারস্থ জেলা শহরের প্রধান
সড়কের পশ্চিম পার্শ্বে অবস্থিত এককালের ঐতিহ্যবাহী মোহাম্মদী বিস্কুট
ফ্যাক্টরী এবং চৌমুহনী বাজারে স্থাপিত মোস্তফা বিস্কুট ফ্যাক্টরীর মালিক
আলহাজ্ব জনাব হাবিবুর রহমানের প্রেরণায় তাঁরই বড় ছেলে জনাব আনোয়ার মির্জার
উদ্যোগে এবং অক্লান্ত পরিশ্রমে ব্যক্তি মালিকানায় ব্যাংক ঋণ এবং নিজস্ব
অর্থায়নে প্রায় ৪০ লক্ষ টাকা পুঁজি বিনিয়োগে ১৯৭৭ সালে মেসার্স আল-আমিন
ব্রেড এন্ড বিস্কুট ফ্যাক্টরীর ১ম ইউনিটের উৎপাদন শুরু হয়। প্রায় ২ একর
সম্পত্তির উপর অবস্থিত আধুনিক প্রযুক্তিতে নির্মিত এ ফ্যাক্টরীতে বর্তমানে ৩
ইউনিটে উৎপাদন চলছে। প্রতিদিন আনুমানিক ২০ টন বিভিন্ন উন্নত মানের বিস্কুট
উৎপাদনে সক্ষম এ ফ্যাক্টরীতে জেলার প্রায় ১০ হাজার পরিবারের আর্থিক সংকট
নিরসনে বিশেষ অবদান রাখছে। এ ফ্যাক্টরীর উৎপাদিত বিস্কুটস্ সামগ্রী সমগ্র
দেশে খ্যাতি লাভ করায় দিন দিন এর চাহিদা বাড়ছে। উক্ত প্রকল্পটি স্থাপনে
অন্যান্য সহায়তকারী উদ্যোক্তা যারা ছিলেন তারা হলেন জনাব সারোয়ার মির্জা,
জনাব আক্তার মির্জা ও আজীজ উল্যা প্রমুখ।
আল-আমিন
গ্রুপের চেয়ারম্যান জনাব মোঃ আনোয়ার মির্জা নোয়াখালী জেলা শহরের উপকণ্ঠে
বিনোদপুর গ্রামে ৩৩ একর জমি সরকার থেকে লীজ দিয়ে প্রথমে মেসার্স ফারহানা
টেক্সটাইল মিলস্ লিঃ স্থাপনের পরিকল্পনা নেন। পরে প্রকল্প পরিকল্পনা
পরিবর্তন করে উক্ত স্থানে কোমল পানীয় এর কারখানা স্থাপন করেন। বর্তমানে
উক্ত প্রকল্প চালু আছে। এতে নোয়াখালী জেলার কয়েক হাজার বেকার যুবক ও
যুবমহিলার কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়েছে। একই সাথে প্রতিষ্ঠানটি জাতীয়
অর্থনীতিতে বিশেষ অবদান রাখছে।
গ্লোব এগ্রো ফিশারিজ লিঃ
এ
প্রকল্পটি নোয়াখালী উপকূলীয় এলাকার অন্যতম বড় প্রকল্প। প্রায় ২২০ একর
ভূ-সম্পত্তির উপর ৮৮টি পুকুর খনন করে এ প্রকল্প কাজ শুরু করেছে। নোয়াখালী
জেলার সুবর্ণচর উপজেলার চর বাগ্গাতে স্থাপিত এ প্রকল্পের প্রধান উদ্যোক্তা
জনাব মোঃ হারুন রশীদ ও জনাব মোঃ মামুনুর রশীদ।
মৎস্য
চাষে অভিজ্ঞ মহলের ধারণা এ সকল প্রকল্প পুরোপুরি বাস্তবায়ন এবং বাণিজ্যিক
উৎপাদনে সফল হলে নোয়াখালীবাসী আর্থিকভাবে খুব উপকৃত হবে এবং জাতীয়
অর্থনীতিতে এ সকল উজ্জ্বল সম্ভাবনাময় প্রকল্প বিশেষ অবদান রাখবে।
আল-আমিন ফিশারিজ লিঃ
এ
প্রকল্পটি নোয়াখালী উপকূলীয় এলাকার অন্যতম বড় প্রকল্প। প্রায় ৩০০ একর
সম্পত্তির উপর শতাধিক পুকুর খনন করে এ প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। নোয়াখালী
জেলার সুবর্ণচর উপজেলার হাতিয়া স্টিমার ঘাট সংলগ্নে স্থাপিত এ প্রকল্পের
প্রধান উদ্যোক্ত জনাব আনোয়ার মির্জা। প্রকল্পটি মৎস্য উৎপাদন করে জাতীয়
অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে।
পত্রপত্রিকা
পত্রিকার নাম
|
প্রকার
|
প্রকাশের সময়
|
সম্পাদকের নাম
|
যোগাযোগের ঠিকানা
|
|
দৈনিক নোয়াখালী বার্তা
|
দৈনিক
|
২০০৫ খ্রিঃ
|
মোঃ আবদুল কাদের
|
উত্তর ফকিরপুর, কদমতলী, মাইজদী কোর্ট, নোয়াখালী। ০৩২১-৬৩২৪১
০১৭১৮-১৭৭৬৮
|
|
দৈনিক জাতীয় নূর
|
দৈনিক
|
১৯৯৪ খ্রিঃ
|
আবুল কালাম ভূঁইয়া
|
কৃষ্ণরামপুর, জেনারেল হাসপাতাল সড়ক, মাইজদী কোর্ট, নোয়াখালী।
০৩২১-৬২২৫২, ০১৭১১-০৫১২১৭
|
|
অবয়ব
|
দৈনিক |
|
মুহম্মদ আবুল হাসেম
|
পাঁচ রাস্তার মোড়, মাইজদী কোর্ট, নোয়াখালী। ০৩২১-৬৩০২, ০১৭১১৭৮১৭২৩
|
|
দৈনিক সচিত্র নোয়াখালী
|
দৈনিক |
২০০২ খ্রিঃ
|
মোঃ আমিরুল ইসলাম হারুন
|
ইউরো শপিং কমপ্লেক্স, পুরাতন বাস স্ট্যান্ড, মাইজদী কোর্ট, নোয়াখালী।
০৩২১-৭১০৭২, ০৭১৭৬-৯১৯৪২৮
|
|
দৈনিক জাতীয় নিশান
|
দৈনিক
|
১৯৭৮ খ্রিঃ
|
কাজী মোঃ রফিক উল্যাহ
|
দৈনিক জাতীয় নিশান কার্যালয়, চৌমুহনী, নোয়াখালী। ০৩২১-৫১৮৬৪
০১৭১৬-৭৮২৯২৬
|
|
দৈনিক জনতার অধিকার
|
দৈনিক
|
২০০৪ খ্রিঃ
|
মোহাম্মদ ফারুক এডভোকেট
|
নোয়াখালী
পল্লীভবন, (বিআরডিবি ভবন নীচ তলা), প্রধান সড়ক (সিনেমা হলের দক্ষিণ
পার্শ্বে), মাইজদী কোর্ট, নোয়াখালী। ০৩২১-৬২৭১৭, ০১৭১২০৯৮০২৪
|
|
দৈনিক নোয়াখালীর প্রত্যাশা
|
দৈনিক
|
২০০৭ খিঃ
|
সিরাজ উদ্দিন হেলাল
|
পৌর সুপার মার্কেট, ২য় তলা, মাইজদী কোর্ট, নোয়াখালী।
০১৭১২-২৬৭২২৭
|
|
দৈনিক নোয়াখালীর খবর
|
দৈনিক |
১৯৯৩
|
আ.ম.ম. আনোয়ার বিএসসি
|
কালার গ্রাফিক্স এবং কম্পিউটার, হকার্স মার্কেট, মেইন গলি (২য়তলা)চৌমুহনী, নোয়াখালী। ০৩২১-৫৩৬১০
|
|
দৈনিক সফল বাতাঁ
|
দৈনিক
|
২০০৯ খ্রিঃ
|
অধ্যাপক লিয়াকত আলী খান
|
খান ভবন, লক্ষ্মীনারয়ণপুর, মাইজদী কোর্ট, নোয়াখালী। ০৩২১-৬১৭৭২
০১৭১১৭৮১০৪১
|
|
আজকাল পত্র
|
সাপ্তাহিক
|
২০০৩ খ্রিঃ
|
আবুল হাসান রুনু
|
ব্রাদার্স মিডিয়া সেন্টার, পুরাতন বাসস্ট্যান্ড, মাইজদী কোর্ট, নোয়াখালী।
০১৮১৯-৮৫৫০৭৮
|
|
সাপ্তাহিক চলমান নোয়াখালী
|
সাপ্তাহিক
|
২০০২ খ্রিঃ
|
মাহমুদুল হাসান (রুদ্র মাসুদ)
|
ব্যাংক রোড (চৌমুহনী সাংবাদিক ইউনিটি অফিসের ওপরে), ৩য় তলা, চৌমুহনী, নোয়াখালী। ০৩২১-৫১৩৬৬
www.chalomannoakhali.com
|
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন