শুক্রবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০১১

গুরুত্বপূর্ণ কিছু পরিমাপের তথ্য

+ 1 Bit = Binary Digit
+ 8 Bits = 1 Byte
+ 1024 Bytes = 1 Kilobyte
+ 1024 Kilobytes = 1 Megabyte
+ 1024 Megabytes = 1 Gigabyte
+ 1024 Gigabytes = 1 Terabyte
+ 1024 Terabytes = 1 Petabyte
+ 1024 Petabytes = 1 Exabyte
+ 1024 Exabytes = 1 Zettabyte
+ 1024 Zettabytes = 1 Yottabyte
+ 1024 Yottabytes = 1 Brontobyte
+ 1024 Brontobytes = 1 Geopbyte

মঙ্গলবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০১১

ডাচ্ বাংলা মোবাইল ব্যাংকিং সংক্রান্ত তথ্য

ডাচ্ বাংলা মোবাইল ব্যাংকিং সংক্রান্ত তথ্য

ডিবিবিএল মোবাইল ব্যাংকিং এক নজরে

ব্যাংকিং সুবিধা বঞ্চিতদের জন্য ব্যাংকিং

মোবাইল ব্যাংকিং কী?
মোবাইল ব্যাংকিং হচ্ছে শাখাবিহীন ব্যাংকিং ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে স্বল্প খরচে দক্ষতার সঙ্গে আর্থিক সেবা পৌঁছে যাবে ব্যাংকিং সুবিধা বঞ্চিত জনগোষ্ঠির কাছে। মোবাইল প্রযুক্তি সরঞ্জাম অর্থাৎ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ব্যাংকিং ও আর্থিক সেবা (টাকা জমাদান, উত্তোলন, পণ্য বা সেবা ক্রয়ের মূল্য পরিশোধ, বিভিন্ন ধরণের বিল পরিশোধ, বেতন/ভাতা বিতরণ, বিদেশিক আয়, সরকারি বেতন ও ভাতাদি বিতরণ, ATM থেকে টাকা উত্তোলন) প্রদান করাই হচ্ছে মোবাইল ব্যাংকিং। মোবাইল একাউন্টের মাধ্যমে মোবাইল ব্যাংকিং এর প্রস্তাবিত সেবাসমূহ পাওয়া যাবে।


মোবাইল ব্যাংকিং-এর সুবিধাসমূহঃ
মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে অর্থকে ইলেক্ট্রনিক অর্থে রূপান্তর এবং সর্বোপরি দারিদ্র্য দূরীকরণ সম্ভব:
* প্রকৃত অনলাইন ব্যাংকিং সেবা
* দেশব্যাপী যে কোন সময়, যে কোন স্থানে সেবার নিশ্চয়তা
* এটি সুবিধাজনক, সহজলভ্য এবং নিরাপদ
* টাকা সঞ্চয়ের অভ্যাস বাড়ানোর জন্য মোবাইল ব্যাংকিং অধিক কার্যকর
* এর মাধ্যমে দ্রুত ও কম খরচে টাকা লেনদেন এবং আধুনিক ব্যাংকিং সেবায় প্রবেশের সুযোগ সৃষ্টি হবে
* মোবাইল ব্যাংকিং অধিকতর নিরাপদ এবং প্রতারণারোধক
 

ডিবিবিএল মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে কী কী সেবা পাওয়া যাবে?
* গ্রাহক নিবন্ধন
* নগদ টাকা জমাদান
* নগদ টাকা উত্তোলন
* কেনাকাটার বিল পরিশোধ
* ইউটিলিটি বিল পরিশোধ
* বেতন/ভাতা বিতরণ
* বিদেশ হতে প্রেরিত অর্থ বিতরণ
* মোবাইলে তাৎক্ষণিক ব্যালেন্স রিচার্জ
* তহবিল স্থানান্তর
 

কোথায় মোবাইল একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করবেন?
* DBBL মনোনীত যে কোন এজেন্ট পয়েন্টে মোবাইল একাউন্ট রেজিষ্ট্রেশন করা যাবে। বর্তমানে শুধু সিটিসেল এবং বাংলালিংকের মনোনীত এজেন্ট যারা DBBL এর ‘‘এজেন্ট সনদ’’ এবং DBBL মোবাইল ব্যাংকিং ব্যানার প্রদর্শন করতে পারবে তারাই DBBL এর গ্রাহক রেজিষ্ট্রেশন করতে পারবেন।
  

কিভাবে মোবাইল একাউন্ট রেজিস্ট্রেশন করবেন?
গ্রাহক KYC ফরম পূরণ করে জাতীয় পরিচয়পত্রের অনুলিপি ও ছবিসহ এজেন্টের কাছে জমা দিবেন এজেন্ট গ্রাহকের আবেদনপত্র, জাতীয় পরিচয়পত্র ও ছবি নিরীক্ষণ করবেন এজেন্ট তার মোবাইলের নিবন্ধন মেন্যুতে যাবেন এবং গ্রাহকের মোবাইল নম্বর টাইপ করবেন গ্রাহক IVR হতে একটি কল বা USSD Prompt Menu পাবেন এবং প্রত্যুত্তরে তার পছন্দমত ৪ সংখ্যার একটি PIN নম্বর দিবেন (অনুগ্রহপূর্বক PIN নম্বরটি মনে রাখবেন) অতঃপর গ্রাহকের মোবাইল একাউন্টটি চালু হবে, একাউন্ট নম্বরটি হবে গ্রাহকের মোবাইল নম্বর যার সঙ্গে একটি Check digit যুক্ত হবে গ্রাহক তার মোবাইল একাউন্ট নম্বর এর নিশ্চিতকরণ SMS পাবেন (অনুগ্রহপূর্বক আপনার Check digit টি মনে রাখুন)

PIN কেন দরকার ?
এজেন্ট অথবা DBBL ATM থেকে টাকা উত্তোলনের সময় PIN দরকার। PIN আপনার আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং প্রতারণামূলক লেনদেন প্রতিরোধ করবে।
 

PIN কেন গোপনীয় ?
PIN মোবাইল ব্যাংকিং এর লেনদেনের মূল চাবি। শুধু সঠিক PIN এবং মোবাইল নম্বরের সমন্বয়ের মাধ্যমেই মোবাইল একাউন্টে প্রবেশ করা সম্ভব। সিস্টেম কর্তৃক একাউন্টের মালিকের পরিচিতি নিশ্চিত করার জন্য PIN প্রয়োজন। যেহেতু PIN নম্বরটি অন্য কেউ জানলে সংশি ষ্ট একাউন্টটি ঝুকিপূর্ণ, সুতরাং PIN অতীব সতর্কতার সঙ্গে সংরক্ষণ করতে হবে।

Check digit কেন দরকার?
মোবাইল নম্বর অনেকেরই জানা থাকে। তাই Check digit জানা না থাকলে অন্য কেউ আপনার মোবাইল একাউন্টে টাকা জমা দিতে পারবে না, এভাবেই Check digit আপনার মোবাইল একাউন্টের গোপনীয়তা বজায় রাখতে সহযোগিতা করবে। অন্যদিকে, Check digit ভুল একাউন্ট নম্বর প্রদানের সম্ভাবনা দূর করে আপনাকে ভুল একাউন্টে টাকা পাঠানো বা জমাদান থেকে রক্ষা করবে।

কোন অপারেটরের মোবাইল DBBL এর একাউন্ট হিসাবে রেজিষ্ট্রেশন করা যাবে?
যে কোন মোবাইল অপারেটরের মোবাইল ব্যবহারকারী বাংলালিংক বা সিটিসেলের মনোনীত এজেন্ট পয়েন্টে DBBL মোবাইল একাউন্ট রেজিষ্ট্রেশন করতে পারবেন। সকল মোবাইল একাউন্ট গ্রাহকরা এজেন্টের কাছে টাকা জমা দেয়া এবং উত্তোলনের সুবিধা পাবেন। তবে বাংলালিংক ও সিটিসেল ফোন ব্যবহারকারীগণ ব্যতিত অন্য গ্রাহকগণ কিছু স্ব-পরিচালিত সেবা যেমন: হিসাব অনুসন্ধান, টাকা স্থানান্তর, বিল পরিশোধ, মোবাইল টপ-আপ, PIN পরিবর্তন ইত্যাদি গ্রহণের সুযোগ পাবেন না। বাংলালিংক ও সিটিসেলের গ্রাহকগণ এজেন্ট পরিচালিত এবং স্ব-পরিচালিত উভয় সেবাই গ্রহণের সুযোগ পাবেন।

কি ধরনের মোবাইল সেট প্রয়োজন?
যে কোন ধরনের মোবাইল সেট ব্যবহার করেই DBBL মোবাইল একাউন্টের সেবা পাওয়া যাবে।

একাউন্ট খুলতে কত টাকা প্রয়োজন?
মাত্র ১০ (দশ) টাকা জমা দিয়ে একজন গ্রাহক DBBL মোবাইল একাউন্ট খুলতে পারবেন।

একাউন্ট খোলার সঙ্গে সঙ্গেই কি টাকা জমা ও উত্তোলন করা যাবে?
একাউন্ট খোলার সঙ্গে সঙ্গেই টাকা জমা দেয়া যাবে। তবে একাউন্টটি সম্পূর্ণভাবে নিবন্ধিত হওয়ার পর টাকা তোলা যাবে। ব্যাংক কর্মকর্তা রেজিষ্ট্রেশন ফরমে (KYC) প্রদত্ত তথ্যাবলী যাচাই করে একাউন্টটি সম্পূর্ণভাবে নিবন্ধনের জন্য অনুমোদন করবেন। সাধারনত একাউন্ট সম্পূর্ণ নিবন্ধনের জন্য ১-২ কর্মদিবস লাগবে। সম্পূর্ণভাবে রেজিষ্ট্রেশনের পর আপনার মোবাইলে একটি SMS পাবেন।

DBBL মোবাইল ব্যাংকিং কতটুকু নিরাপদ?
DBBL মোবাইল ব্যাংকিং সম্পূর্ণভাবে নিরাপদ, কারণ এতে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে USSD অথবা SMS+IVR প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। USSD এর ক্ষেত্রে নির্দেশনা এবং PIN, USSD এর মাধ্যমে এবং SMS+IVR এর ক্ষেত্রে নির্দেশনা, SMS এর মাধ্যমে এবং PIN IVR কল এর মাধ্যমে প্রেরণ করা হয়। PIN লেনদেনের ক্ষেত্রে USSD এবং IVR উভয়ই নিরাপদ। যেহেতু মোবাইল সেট, PIN এবং Check digit আয়ত্তে নেয়া ছাড়া একাউন্ট থেকে টাকা উত্তোলন করা যাবে না তাই গ্রাহকের টাকা সম্পূর্ণ নিরাপদ। তাছাড়া Check digit থাকায় যে কেউ কারো মোবাইল একাউন্টে অনাকাঙ্ক্ষিত টাকা জমা করতে পারবে না। (যদিও মোবাইল নম্বর অনেকেরই জানা)

টাকা উত্তোলন করবেন কোথায়?
DBBL মনোনীত যে কোন এজেন্ট (বর্তমানে শুধু সিটিসেল ও বাংলালিংক মনোনীত এজেন্ট), DBBL ATM ও শাখা থেকে টাকা উত্তোলন করা যাবে।

কিভাবে টাকা উত্তোলন করবেন ?
গ্রাহক টাকা উত্তোলনের জন্য এজেন্টকে তার মোবাইল একাউন্ট নং ও টাকার পরিমাণ বলবেন এজেন্ট তার মোবাইল থেকে উত্তোলন পদ্ধতি শুরু করবেন এজেন্ট সিস্টেম হতে একটি বার্তা পাবেন এবং ফিরতি বার্তায় গ্রাহকের মোবাইল নম্বর ও টাকার পরিমাণ দিবেন গ্রাহক DBBL সিস্টেম হতে নিম্নলিখিত বার্তা বা IVR কল পাবেন: ‘‘আপনি আপনার মোবাইল একাউন্ট থেকে xxx টাকা উত্তোলন করতে যাচ্ছে। আপনি যদি লেনদেনটি সম্পন্ন করতে চান তাহলে আপনার ৪ সংখ্যার PIN নম্বরটি প্রদান করুন’’
গ্রাহক PIN নম্বরটি টাইপ করবেন সিস্টেম, গ্রাহকের একাউন্ট হতে সমপরিমাণ টাকা ডেবিট করবে, এজেন্ট গ্রাহককে টাকা প্রদান করবেন

কোথায় টাকা জমা দিবেন ?
DBBL মনোনীত যে কোন এজেন্ট (বর্তমানে শুধু সিটিসেল ও বাংলালিংক মনোনীত এজেন্ট) ও DBBL শাখায় টাকা জমা দেয়া যাবে ।

কিভাবে টাকা জমা দিবেন ?
গ্রাহক এজেন্টের নিকট টাকা জমা দিবেন
এজেন্ট তার মোবাইল থেকে জমাদান পদ্ধতি শুরু করবেন
এজেন্ট সিস্টেম হতে একটি বার্তা পাবেন এবং ফিরতি বার্তায় গ্রাহকের মোবাইল নম্বর ও টাকার পরিমাণ দিবেন
এজেন্ট তার PIN নম্বর দিবেন
সিস্টেম, গ্রাহকের একাউন্টে সমপরিমাণ টাকা ক্রেডিট করবে
এজেন্ট গ্রাহককে টাকা জমাদানের রশিদ দিবেন
সিস্টেম গ্রাহকের মোবাইলে একটি নিশ্চিতকরণ SMS পাঠাবে
নিরাপত্তা নিশ্চিত ও সঠিক লেনদেন করার জন্য গ্রাহক SMS প্রেরকের নম্বর এবং টাকার পরিমাণ নিরীক্ষা করবেন। গ্রাহকরা ১৬২১৬ নম্বর হতে SMS পাবেন

লেনদেনের সীমা কত?
এজেন্টের কাছে সবসময় পর্যাপ্ত অর্থ নাও থাকতে পারে। আমরা প্রত্যেক এজেন্ট পয়েন্ট থেকে যত বেশি সম্ভব গ্রাহককে সেবা দিতে চাই। অন্যদিকে, আমাদের যে কোন ধরণের প্রতারণামূলক ক্ষতি প্রতিরোধ করতে হবে। এই বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে লেনদেনের পরিমাণ এবং সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমানে নিন্মোক্ত পরিমাণ এবং সংখ্যা অনুযায়ী গ্রাহকগণ লেনদেন করতে পারবেন:
দৈনিক জমা = সর্বোচ্চ ৫ বার
দৈনিক উত্তোলন = সর্বোচ্চ ৫ বার
প্রত্যেক লেনদেনের (জমা/উত্তোলন) পরিমাণ = টাকা ৫০০০/-
প্রতি মাসে জমা = সর্বোচ্চ ২০ বার
প্রতি মাসে উত্তোলন = সর্বোচ্চ ২০ বার

কিভাবে আপনার একাউন্টের ব্যালেন্স জানবেন?
গ্রাহক তার মোবাইল থেকে ব্যালেন্স জানার প্রক্রিয়াটি শুরু করবেন
গ্রাহক DBBL সিস্টেম হতে নিন্মলিখিত বার্তা বা IVR কল পাবেন

‘‘একাউন্ট ব্যালেন্স জানতে চাইলে আপনার ৪ সংখ্যার PIN নম্বরটি টাইপ করুন অথবা Cancel বাটন চেপে অনুরোধটি বাতিল করুন’’
গ্রাহক তার PIN নম্বরটি টাইপ করবেন
DBBL System গ্রাহকের মোবাইলে ব্যালেন্সের পরিমাণ পাঠাবে

কিভাবে PIN পরিবর্তন করবেন?
গ্রাহক তার মোবাইল থেকে PIN পরিবর্তন প্রক্রিয়াটি শুরু করবেন
গ্রাহক DBBL সিস্টেম হতে নিন্মলিখিত বার্তা বা IVR কল পাবেন
‘‘PIN পরিবর্তন করতে চাইলে আপনি আপনার ৪ সংখ্যার বর্তমান PIN টি প্রদান করুন অথবা Cancel বাটন চেপে অনুরোধটি বাতিল করুন’’
গ্রাহক তার বর্তমান PIN টি প্রদান করবেন
DBBL System একটি নতুন ৪ সংখ্যার PIN চাইবে
গ্রাহক তার নতুন PIN টাইপ করবেন
PIN টি পরিবর্তিত হবে।

বেতন/ভাতা বিতরণ কী?
এ পদ্ধতিতে বৃহৎ ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো স্বল্প সময়ে ঝামেলাবিহীনভাবে তাদের কর্মকর্তা/কর্মচারীদের বেতন এবং সরকার বিভিন্ন ধরনের ভাতা যেমন মুক্তিযোদ্ধা ভাতা, বিধবা ভাতা, বয়স্ক ভাতা ইত্যাদি বিতরণ করতে পারবেন।

কিভাবে এটি কাজ করে?
ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান/সরকারি অফিস মাসিক বেতন/ভাতা ও মোবাইল একাউন্ট নম্বর সম্বলিত একটি তালিকা ডাচ্-বাংলা ব্যাংকে পাঠাবেন ডাচ্-বাংলা ব্যাংক স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান/সরকারি অফিসের একাউন্ট হতে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা ডেবিট করে সমপরিমাণ টাকা প্রত্যেকের ব্যক্তিগত একাউন্টে ক্রেডিট
করবে
  কর্মকর্তা/কর্মচারী এবং সুবিধাভোগী ব্যক্তি তার নিজ মোবাইলে এ লেনদেন সম্পর্কিত একটি বার্তা পাবেনকর্মকর্তা/কর্মচারী এবং সুবিধাভোগী ব্যক্তি যেকোন এজেন্ট অথবা DBBL ATM থেকে টাকা উত্তোলন করতে পারবেন

ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান/সরকারের সুবিধাসমূহ কী কী?
সময় সাশ্রয়
অর্থ সাশ্রয়
অতিরিক্ত জনবলের প্রয়োজন নেই
ভুল হবার সম্ভাবনা খুবই কম
নিশ্চিত তাৎক্ষণিক সেবা

কর্মকর্তা/কর্মচারী ও ভাতা প্রাপ্তদের সুবিধাসমূহ কী কী?
একাউন্টে তাৎক্ষণিক টাকা জমা
ঝামেলাবিহীন বেতন/ভাতা সংগ্রহ
ব্যাংকে গিয়ে লাইনে দাঁড়ানোর প্রয়োজন নেই
যেকোন এজেন্ট অথবা DBBL ATM অথবা শাখা থেকে টাকা উত্তোলন করা যাবে

কিভাবে মোবাইল একাউন্টে বৈদেশিক রেমিট্যান্স পাঠানো যাবে?
বিদেশে অবস্থিত এক্সচেঞ্জ হাউসগুলো সুবিধাভোগীর মোবাইল একাউন্টের বিপরীতে রেমিট্যান্স গ্রহণ করবে। এক্সচেঞ্জ হাউসগুলো মোবাইল একাউন্ট নম্বর ও টাকার পরিমাণ সম্বলিত একটি তালিকা
ডাচ্-বাংলা ব্যাংকে পাঠাবেডাচ্-বাংলা ব্যাংক কেন্দ্রীয়ভাবে প্রত্যেক একাউন্টে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা জমা করে দেবেসুবিধাভোগী ব্যক্তি তার নিজ মোবাইলে এই লেনদেন সম্পর্কিত একটি বার্তা পাবেনসুবিধাভোগী ব্যক্তি যে কোন এজেন্ট অথবা ATM অথবা DBBL শাখা থেকে টাকা উত্তোলন করতে পারবেন
ফি এবং সার্ভিস চার্জ
রেজিস্ট্রেশন ফি : ফ্রি
টাকা জমাদান : জমাকৃত টাকার ১% অথবা ৫ টাকা, যেটি অধিকতর
টাকা উত্তোলন : উত্তোলনকৃত টাকার ২% অথবা ১০ টাকা, যেটি অধিকতর
মার্চেন্ট বিল পরিশোধ : গ্রাহকের জন্য ফ্রি
মোবাইল টপ-আপ : গ্রাহকের জন্য ফ্রি
বেতন বিতরণ : ফ্রি
ভাতা বিতরণ : ফ্রি
রেমিট্যান্স প্রদান : ফ্রি

গ্রামীনফোন মোডেম দিয়ে অন্য অপারেটরের (Robi, বাংলালিংক, Airtel) ইন্টারনেট ব্যাবহার নিয়ম


গ্রামীনফোন মোডেমের সাথে সংযুক্ত ডিফল্ট Software হতে
Tools > Options > Profile Management Select করুন ।

By Default Profile Name : GP-INTERNET Select করা আছে।

এখন অন্য অপারেটরের(Robi, বাংলালিংক,Airtel) ইন্টারনেট ব্যাবহার করতে নতুন Profile Create করতে ডান পাশের প্যানেল হতে New Select করুন ।

Robi  জন্য Profile Name : AKTEL-INTERNET type করুন। APN Static Select করে internet লিখুন।
Access Number : *99***1# লিখুন।
OK করে মেনু হতে বাহির হন।
এখন মোডেমে Robi সিম দিয়ে গ্রামীনফোন মোডেমের সাথে সংযুক্ত ডিফল্ট Software এর প্রথম Form (Connection) হতে Profile Name
ROBI-INTERNET Select করে Connect Click করুন ।

একই ভাবে Airtel জন্য Profile Name : AIRTEL-INTERNET type করুন। APN Static Select করে internet লিখুন।
Access Number : *99***1# লিখুন।
OK করে মেনু হতে বাহির হন।
এখন মোডেমে Airtel সিম দিয়ে গ্রামীনফোন মোডেমের সাথে সংযুক্ত ডিফল্ট Software এর প্রথম Form (Connection) হতে Profile Name :
AIRTEL-INTERNET Select করে Connect Click করুন ।

বাংলালিংকের জন্য Profile Name : Banglalink-WEB type করুন। APN Static Select করে blweb লিখুন।
Access Number : *99***1# লিখুন।
OK করে মেনু হতে বাহির হন।
এখন মোডেমে বাংলালিংকের সিম দিয়ে গ্রামীনফোন মোডেমের সাথে সংযুক্ত ডিফল্ট Software এর প্রথম Form (Connection) হতে Profile Name :
Banglalink-WEB Select করে Connect Click করুন ।

শনিবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০১১

বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত "আমার সোনার বাংলা"

বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত "আমার সোনার বাংলা"

আমার সোনার বাংলা গানটি ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত। এ গানের রচয়িতা ও সুরকার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে এই গানটি রচিত হয়েছিল। ১৯৭২ খ্রিস্টাব্দে এ গানটির প্রথম দশ লাইন সদ্যগঠিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জাতীয়সঙ্গীত হিসেবে নির্বাচিত হয়। আনুষ্ঠানিকভাবে কেবল প্রথম চার লাইন বাদন করা হয়।
  
ইতিহাস

রচনা ও সুরারোপ
আমার সোনার বাংলা গানটি রচিত হয়েছিল ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে। গানটির পাণ্ডুলিপি পাওয়া যায়নি, তাই এর সঠিক রচনাকাল জানা যায় না। সত্যেন রায়ের রচনা থেকে জানা যায়, ১৯০৫ সালের ৭ অগস্ট কলকাতার টাউন হলে আয়োজিত একটি প্রতিবাদ সভায় এই গানটি প্রথম গীত হয়েছিল। এই বছরই ৭ সেপ্টেম্বর (১৩১২ বঙ্গাব্দের ২২ ভাদ্র) সঞ্জীবনী পত্রিকায় রবীন্দ্রনাথের সাক্ষরে গানটি মুদ্রিত হয়। এই বছর বঙ্গদর্শন পত্রিকার আশ্বিন সংখ্যাতেও গানটি মুদ্রিত হয়েছিল। তবে ৭ অগস্ট উক্ত সভায় এই গানটি গীত হওয়ার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায় না। বিশিষ্ট রবীন্দ্রজীবনীকার প্রশান্তকুমার পালের মতে, আমার সোনার বাংলা ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দের ২৫ অগস্ট কলকাতার টাউন হলে অবস্থা ও ব্যবস্থা প্রবন্ধ পাঠের আসরে প্রথম গীত হয়েছিল।
আমার সোনার বাংলা গানটি রচিত হয়েছিল শিলাইদহের ডাক-পিয়ন গগন হরকরা রচিত আমি কোথায় পাব তারে আমার মনের মানুষ যে রে গানটির সুরের অনুষঙ্গে। সরলা দেবী চৌধুরানী ইতিপূর্বে ১৩০৭ বঙ্গাব্দের বৈশাখ মাসে তাঁর শতগান সংকলনে গগন হরকরা রচিত গানটির স্বরলিপি প্রকাশ করেছিলেন। উল্লেখ্য, রবীন্দ্রনাথের বঙ্গভঙ্গ-সমসাময়িক অনেক স্বদেশী গানের সুরই এই স্বরলিপি গ্রন্থ থেকে গৃহীত হয়েছিল। যদিও পূর্ববঙ্গের বাউল ও ভাটিয়ালি সুরের সঙ্গে রবীন্দ্রনাথের পরিচিতি ইতিপূর্বেই হয়েছিল বলে জানা যায়। ১৮৮৯-১৯০১ সময়কালে পূর্ববঙ্গের বিভিন্ন অঞ্চলে জমিদারির কাজে ভ্রমণ ও বসবাসের সময় বাংলার লোকজ সুরের সঙ্গে তাঁর আত্মীয়তা ঘটে। তারই অভিপ্রকাশ রবীন্দ্রনাথের স্বদেশী আন্দোলনের সমসাময়িক গানগুলি, বিশেষত আমার সোনার বাংলা

যেভাবে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত

১৯৭১ খ্রিস্টাব্দের ১ মার্চ গঠিত হয় স্বাধীন বাংলার কেন্দ্রীয় সংগ্রাম পরিষদ। পরে ৩ মার্চ তারিখে পল্টন ময়দানে ঘোষিত ইশতেহারে এই গানকে জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে ঘোষণা করা হয়। ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দের এপ্রিল ১৭ এপ্রিল মুজিব নগরে স্বাধীন বাংলাদেশের সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে এই গান প্রথম জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গাওয়া হয়।

গানের কথা


বাংলা লিপিতে ইংরেজি প্রতিবর্ণীকরণ অনুবাদ
(সৈয়দ আলী আহসান কৃত)
আমার সোনার বাংলা আমার সোনার বাংলা,
আমি তোমায় ভালবাসি।
Amar Shonar Bangla Amar shonar Bangla,
Ami tomae bhalobashi.
My beloved Bengal My Bengal of Gold,
I love you.
চিরদিন তোমার আকাশ,
তোমার বাতাস
আমার প্রাণে বাজায় বাঁশি।
Chirodin tomar akash,
Tomar batash,
Amar prane bajae bãshi.
Forever your skies,
Your air set my heart in tune
As if it were a flute.
ও মা,
ফাগুনে তোর আমের বনে
ঘ্রাণে পাগল করে--
মরি হায়, হায় রে
ও মা,
অঘ্রানে তোর ভরা খেতে,
আমি কী দেখেছি মধুর হাসি।।
O ma,
Phagune tor amer bone
Ghrane pagol kôre,
Mori hae, hae re,
O ma,
Ôghrane tor bhôra khete
Ami ki dekhechhi modhur hashi.
In spring, O mother mine,
The fragrance from your mango groves
Makes me wild with joy,
Ah, what a thrill!
In autumn, O mother mine,
In the full blossomed paddy fields
I have seen spread all over sweet smiles.
কী শোভা, কী ছায়া গো,
কী স্নেহ, কী মায়া গো-
কী আঁচল বিছায়েছ
বটের মূলে,
নদীর কূলে কূলে।
Ki shobha, ki chhaea go,
Ki sneho, ki maea go,
Ki ãchol bichhaeechho
Bôţer mule,
Nodir kule kule!
Ah, what beauty, what shades,
What an affection, and what tenderness!
What a quilt have you spread
At the feet of banyan trees
And along the banks of rivers!
মা, তোর মুখের বাণী
আমার কানে লাগে
সুধার মতো--
মরি হায়, হায় রে
মা, তোর বদনখানি মলিন হলে
আমি নয়ন জলে ভাসি।।
Ma, tor mukher bani
Amar kane lage,
Shudhar môto,
Mori hae, hae re,
Ma, tor bôdonkhani molin hole,
Ami nôeon jôle bhashi.
O mother mine, words from your lips
Are like nectar to my ears.
Ah, what a thrill!
If sadness, O mother mine,
Casts a gloom on your face,
My eyes are filled with tears!

শুক্রবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০১১

নোয়াখালী জেলা পরিচিতি

 নোয়াখালী জেলা পরিচিতি
বাংলাদেশের দক্ষিণে মেঘনা ও বঙ্গোপসাগরের মোহনায় অবস্থিত চট্টগ্রাম বিভাগের একটি সুপ্রাচীন জনপদ নোয়াখালী জেলা। জেলার আয়তন ৪২০২.৭০ বর্গ কিঃমিঃ। এর উত্তরে কুমিল্লা জেলা, দক্ষিণে মেঘনার মোহনা এবং বঙ্গোপসাগর, পূর্বে ফেনী এবং চট্টগ্রাম জেলা, পশ্চিমে লক্ষ্মীপুর এবং ভোলা জেলা। চাটখিল, সেনবাগ, সোনাইমুড়ী, বেগমগঞ্জ, নোয়াখালী সদর, কবিরহাট, কোম্পানীগঞ্জ, সুবর্ণচর, হাতিয়া এই ৯টি উপজেলা নিয়ে নোয়াখালী জেলা গঠিত। এ জেলার মোট জনসংখ্যা ৩৩,৭০,২৫১ জন । কৃষি, মৎস্য শিকার ও পশু পালন এ অঞ্চলের প্রধান জীবিকা। কবিতার ভাষায় জেলাটিকে এভাবে বর্ণনা করা হয়েছে-
“ হাট বাজার নদী খাল, নারিকেল সুপারী তাল
ভাঙা গড়ার চোরাবালি, তারই নাম নোয়াখালী ’’
ঐতিহ্যগতভাবে এ জেলার মানুষ কর্মঠ, বুদ্ধিমান ও সত্যানুসন্ধানী। ধর্মপ্রাণ এ জেলার লোকজন হিন্দু মুসলমান এক  অনুসরণীয় ভ্রাতৃত্ববন্ধনে বসবাস করেন। অক্লান্ত পরিশ্রমী এই মানুষগুলোকে বিগত ১৭৭২ সাল থেকে অনবরত সেবা দিয়ে আসছে জেলা প্রশাসন।  কিন্ত এ পদ্ধতি আধুনিক লাগসই প্রযুক্তি নির্ভর না হওয়ায় এতে জনগণের মতামতের অংশগ্রহণ আশানুরুপ ছিল না। সরকার ঘোষিত ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে সেবার মানকে আরও একধাপ এগিয়ে নিতে জেলা ওয়েব পোর্টাল তৈরির এক মহতী উদ্যোগ গৃহীত হয়েছে। এর মাধ্যমে সম্মানিত সেবাপ্রত্যাশী জনগণ জেলার সকল দপ্তরের প্রদত্ত সেবা সম্পর্কে অবগত হতে পারবেন অপরদিকে প্রয়োজনীয় মতামত কিংবা ক্ষেত্র বিশেষে আপত্তি উথ্বাপন করতে পারবেন। জেলার সকল অধিবাসী এবং প্রবাসীসহ দেশের আপামর জনগণ এর মাধ্যমে অনেক উপকৃত হবেন বলে আশা করা যায়। 
 এক নজরে  নোয়াখালী জেলা
নোয়াখালী জেলার সৃষ্টি : ১৮২১ খ্রি:
ভৌগলিক অবস্থান : ২২ ০৬/ থেকে ২২ ১৭/ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯০ ৩৮/ থেকে ৯১ ৩৫/ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ
আয়তন : ৪২০২.৭০ বর্গকিমি
জনসংখ্যা : ৩৩,৭০,২৫১ জন
জনসংখ্যার ঘনত্ব : ৮০১.৯৩ জন প্রতি বর্গ কিমি
মোট পরিবার : ৫,০৪,৫৫২ টি
সংসদীয় আসন সংখ্যা : ০৬ টি
উপজেলা : ০৯ টি
ভোটার সংখ্যা মোট : ১৬,৩২,৭৬১ জন (পুরুষ: ৭,৭৯,৯০৭ জন, মহিলা: ৮,৫২,৮৫৪ জন)
পুলিশ থানা : ০৯ টি ;  তদন্ত কেন্দ্র -০২ টি, ফাঁড়ি- ০৮ টি
ইউনিয়ন : ৯১ টি
গ্রাম : ৭৮৬ টি
মৌজা : ৯৪৬ টি
ইউনিয়ন ভূমি অফিস : ৬৫ টি
পৌরসভা : ০৮ টি (বসুরহাট, কবিরহাট, সেনবাগ, চৌমুহনী, নোয়াখালী, চাটখিল, সোনাইমুড়ী, হাতিয়া)
শিক্ষার হার : ৬৯.৫০%
বিশ্ববিদ্যালয় : ০১ টি (নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়)
টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ : ০১ টি
পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার : ০১ টি
মহাবিদ্যালয় : ৩৫টি              সরকারি-০৮টি                         বেসরকারি-২৭টি
মাধ্যমিক বিদ্যালয় : ২৮৭টি            সরকারি-১২টি                          বেসরকারি-২৭৫টি
প্রাথমিক বিদ্যালয় : ১২৪৩টি          সরকারি-৭৭৬টি                        বেসরকারি-৩২৯টি          


স্যাটেলাইট-৬২ টি কমিউনিটি-  ৭৬ টি
মাদ্রাসা : ১৬১টি            সিনিয়র-৩০ টি                        দাখিল ও আলিম -১৩১ টি
কৃষি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র : ০২ টি             টি টি কলেজ-০১ টি                   আইন কলেজ-০১ টি
কারিগরি প্রতিষ্ঠান : ০৫ টি (যুব প্রশিক্ষণ ০২টি, পিটিআই-০১টি, টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ -০২টি)
জেনারেল হাসপাতাল : ০১ টি
মেডিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার : ০১ টি
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স : ০৭ টি
স্কুল হেলথ ক্লিনিক : ০২ টি
টিবি ক্লিনিক : ০১ টি
ইলেকট্রো-মেডিক্যাল ওয়ার্কসপ : ০১ টি
সেবা ইনস্টিটিউট : ০১ টি
উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র : ৩১ টি
জমির পরিমাণ : ৭,৬৫,১২৯ একর (কৃষি-৪,৯৮,৫৮১ একর, অকৃষি-২,৬৬,৫৪৮ একর)
কর্মরত এনজিও : ৫০ টি
বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত : ২৭০ ইঞ্চি
উপকূলীয় এলাকা : ৫০ কিমি
উপকূলীয় বাঁধ   : ৩৪৬.৯৮ কিমি
সাইক্লোন সেল্টার : ২১০ টি                পশুর কিল্লা  - ৩৭টি
উপকূলীয় বন : ১১,১৮,৮৯৯.৩৬ হেক্টর
এতিম খানা : ৬৩ টি                গ্রোথ সেন্টার - ৩০টি
টিউবওয়েল সংখ্যা : ১,২১,৭৮৩ টি
ব্যাংক শাখা : ১৩৫ টি
হাট/বাজার : ২৩৮ টি
দর্শনীয় স্থান :
২।  জেলা জামে মসজিদ
  চরবাটা স্টীমার ঘাট, নোয়াখালী
৪।  বজরা শাহী জামে মসজিদ, বেগমগঞ্জ
৯।  ক্যাথলিক গীর্জা, নোয়াখালী সদর।




৫।  গান্ধী আশ্রম, বেগমগঞ্জ
৬।  নিঝুম দ্বীপ, হাতিয়া
৭।  গাংচিল স্লুইস, কোম্পানীগঞ্জ
৮।  রামনারায়নপুর মিয়া বাড়ী








জেলার পটভূমি
নোয়াখালী জেলা মর্যাদা পায় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী কর্তৃক এদেশে জেলা প্রশাসন প্রতিষ্ঠার প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার সময় থেকেই। ১৭৭২ সালে কোম্পানীর গভর্নর জেনারেল ওয়ারেন হেস্টিংস এদেশে প্রথম আধুনিক জেলা প্রশাসন ব্যবস্থা প্রবর্তনের প্রচেষ্টা নেন। তিনি সমগ্র বাংলাদেশকে ১৯টি জেলায় বিভক্ত করে প্রতি জেলায় একজন করে কালেক্টর নিয়োগ করেন। ১৯টি জেলার একটি ছিল কলিন্দা। জেলাটি গঠিত হয়েছিল মূলতঃ নোয়াখালী অঞ্চল নিয়ে। কিন্ত ১৭৭৩ সালে জেলা প্রথা প্রত্যাহার করা হয় এবং প্রদেশ প্রথা প্রবর্তন করে জেলাগুলোকে করা হয় প্রদেশের অধীনস্থ অফিস।



১৭৮৭ সালে পুনরায় জেলা প্রশাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয় এবং এবার সমগ্র বাংলাদেশকে ১৪টি জেলায় ভাগ করা হয়। ১৪ টির মধ্যেও ভুলুয়া নামে নোয়াখালী অঞ্চলে একটি জেলা ছিল। পরে ১৭৯২ সালে ত্রিপুরা নামে একটি নতুন জেলা সৃষ্টি করে ভুলুয়াকে এর অন্তর্ভূক্ত করা হয়। ১৮২১ সালে ভুলুয়া নামে নোয়াখালী জেলা প্রতিষ্ঠার পূর্ব পর্যন্ত অঞ্চল ত্রিপুরা জেলার অন্তর্ভূক্ত ছিল।

 নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর ও ফেনী মহকুমা নিয়ে নোয়াখালী জেলা গঠিত  হয়। এটি চট্টগ্রাম বিভাগের অর্ন্তভূক্ত একটি বিশাল জেলা হিসেবে পরিচালনা হয়ে আসছিল। ১৯৮৩ সালে সরকারি সিদ্ধান্ত মোতাবেক সকল মহকুমাকে জেলায় রূপান্তর করা হলে লক্ষ্মীপুর ও ফেনী জেলা আলাদা হয়ে যায়। শুধুমাত্র নোয়াখালী মহকুমা নিয়ে নোয়াখালী জেলা পুনর্গঠিত হয়। তখন এ জেলায় উপজেলা ছিল ছয়টি। পরবর্তীতে আরো তিনটি উপজেলার সৃষ্টি করা হয়। এবং বর্তমানে জেলায় মোট উপজেলার সংখ্যা নয়টি। জেলার একটি বিশেষত্ব হলো আটটি উপজেলা মূল ভূখন্ডের সাথে রয়েছে। আর হাতিয়া নামক উপজেলাটির কিছু অংশ জেলার মূল  ভূখন্ডের সাথে সংযুক্ত থাকলে ও বৃহত্তর অংশ (মূল হাতিয়া) এর চর্তুদিকে মেঘনা নদী দ্বারা বেষ্টিত একটি বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা।


নোয়াখালী জেলার উত্তরে কুমিল্লা জেলা, দক্ষিণে মেঘনার মোহনা এবং বঙ্গোপসাগর, পূর্বে ফেনী এবং চট্টগ্রাম জেলা, পশ্চিমে লক্ষ্মীপুর এবং ভোলা জেলা।

 নোয়াখালী জেলা সদর বর্তমানে যে জায়গায় অবস্থিত সে জায়গায় প্রথম থেকেই ছিল না। ঘন ঘন নদী ভাঙ্গনের ফলে পঞ্চাশের দশকে জেলার সদরকে বর্তমান জায়াগায় স্থানান্তর করা হয়। এবং স্থান্তরিত জায়গায় (বর্তমান জেলা সদর) প্রয়োজনীয় স্থাপনা গড়ে তোলা হয়। পূর্বেকার জেলা সদরটি নদী ভাঙ্গনের ফলে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। খূব অল্প সময়ের মধ্যেই সেখানে চর জেগে উঠে। বর্তমানে সেখানে নেই কোন লাল ইটের স্থাপনা, নেই কোন শহুরে যান্ত্রিকতা তার পরবর্তে রয়েছে দিগন্ত প্রসারিত সবুজ শ্যামল মাঠ।
ভৌগোলিক প্রোফাইল
সীমাঃ

বাংলাদেশের দক্ষিণে মেঘনা ও বঙ্গোপসাগরের মোহনায় অবস্থিত চট্টগ্রাম বিভাগের একটি সুপ্রাচীন জনপদ নোয়াখালী জেলা। জেলার আয়তন ৩৬০৭.৫০ বর্গ কিঃমিঃ। এর উত্তরে কুমিল্লা জেলা, দক্ষিণে মেঘনার মোহনা এবং বঙ্গোপসাগর, পূর্বে ফেনী এবং চট্টগ্রাম জেলা, পশ্চিমে লক্ষ্মীপুর এবং ভোলা জেলা।

অবস্থানঃ

নোয়াখালী জেলা উত্তর গোলার্ধে নিরক্ষ রেখা এবং কর্কট ক্রান্তি রেখার মধ্যবর্তী ২২ ০৬/ থেকে ২ ১৭/ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯০ ৩৮/ থেকে ৯১ ৩৫/ পূর্ব দ্রাঘিমাংশে অবস্থিত এবং সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে আনুমানিক গড়ে ১৬¢ ফুট উচ্চে অবস্থিত

আয়তনঃ

নোয়াখালী জেলা উত্তর-দক্ষিণে দীর্ঘজেলার বর্তমান আয়তন ৩৬০৭.৫০ বর্গকিমিতার মধ্যে দক্ষিণাঞ্চলে প্রায় বিশাল অংশে হাতিয়া দ্বীপ হাতিয়াযার আয়তন প্রায় ৫৭৪ বর্গমাইল

জলবায়ুঃ

নোয়াখালী জেলা ক্রান্তীয় মেীসুমী জলবায়ুর অন্তর্ভূক্তগ্রীষ্মকালে দক্ষিণ পশ্চিম দিক ও শীতকালে উত্তর পূর্ব দিক থেকে বায়ু প্রবাহিত হয় ভৌগলিক বিশেষজ্ঞদের মতে নোয়াখালী জেলা মৌসুমী এলাকর ক্রান্তীয় সামুদ্রিক জলবায়ূর অর্ন্তভূক্ত মৌসুমী বায়ূর প্রভাবে গ্রীষ্মকালে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়

ভূমি সংগঠনঃ
নোয়াখালী মূলত পলিবিধৌত সমভূমিএই সমভূমির মাটি বালিমিশ্রিতভূমি সংগঠনের দিক থেকে জেলার মৃত্তিকা উত্তর অঞ্চল এবং দক্ষিণ অঞ্চল দুই ভাগে ভাগ করা যায় উত্তরাঞ্চলের মাটি দোয়াঁশ এবং পলিবহুল সেখানে ধান,পাট,শাক-সবজি ইত্যাদির চাষ হয়ে থাকেজোয়ার ভাটার জন্য সামুদ্রিক পানি দক্ষিন অঞ্চলের নদীগুলোতে প্রবাহিত হয় বলে সেখানে মাটিতে লবনাক্ততার পরিমান বেশি নদীতীরবর্তী অঞ্চলে বর্তমানে উচু বাঁধ নির্মান করার ফলে ধান এবং অন্যান্য ফসলাদির চাষাবাদ সম্ভব হয়েছে বাঁধ দেওয়ার ফলে জমি লবনাক্ততাও অনেকাংশে কমে গেছেকিন্তু তা সত্ত্বেও নিম্নঅঞ্চলের অবক্ষেপনের ফলে এখনো স্থানে স্থানে ভূমি সংগঠন চলছেদক্ষিণ অঞ্চলের বিলে জলজ পচনশীল উদ্ভিদ ও নদীর পলি সংমিশ্রণে কালো ও আঁশযুক্ত এক প্রকার মাটির স্তর গড়ে ওঠে। এই মাটি সংমিশ্রিত হয়ে এক বিশেষ পর্যায়ে পৌছানোর পর সেখানে ভাল ফসল জন্মায়।

শিল্প ও বাণিজ্য

শিল্প কারখানার দিক দিয়ে নোয়াখালী অতীতকাল থেকেই অবহেলিত এবং অনগ্রসর। জন সম্পদে এ জেলার ঐতিহ্য থাকলেও শিল্প স্থাপনে সরকারি ও বেসরকারি তেমন কোন উদ্যোগ নেই বললেই চলে। এ জেলারই বহু অধিবাসী দেশের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় শিল্পকারখানা স্থাপন করেছেন। অথচ এ জেলার জনগণ কাজের খোঁজে দেশ-বিদেশে হন্যে হয়ে বেড়াচ্ছে। এত অনীহা এবং অবহেলা সত্বেও হালে কিছু শিল্প কারখানা স্থাপিত হয়েছে। নিম্নে কিছু ভারীশিল্প প্রতিষ্ঠান এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাময়ী কিছু মৎস চাষ প্রকল্পের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি উপস্থাপন করা হলোঃ

ডেল্টা জুট মিলস লিঃ
বৃহত্তর নোয়াখালীর ঐতিহ্যবাহী ডেল্টা জুট মিলস্ লিঃ ১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৭২ সালে মিলটি জাতীয়করণ করা হয়। ৫ কোটি টাকার পুঁজি যা প্রতিটি ১০ টাকা দরে ৫০,০০,০০০ সাধারণ শেয়ারে অন্তর্ভুতক্ত করা হয়। ৬০ একর এলাকা নিয়ে মিলখানা চালু করা হয়। প্রায় ৫,০০০ শ্রমিক কর্মচারী এ কারখানায় কাজ করার সুযোগ পান। মালিক শ্রমিক সম্পর্কের জটিলতার কারণে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর মিলটি বর্তমানে পুনরায় চালু হয়েছে। মিলটি বর্তমানে বেসরকারি মালিকানাধীনে পরিচালিত হচ্ছে।

হাবিব ভেজিটেবল প্রোডাক্টস লিঃ
মেসার্স আল আমিন ব্রেড এন্ড বিস্কুটস্ ফ্যাক্টরীর উদ্যোক্তা আলহাজ্ব হাবিবুর রহমানের বিশেষ প্রেরণায় তাঁর বড় ছেলে জনাব আনোয়ার মির্জার অক্লান্ত পরিশ্রম ও প্রচেষ্ঠায় এবং তাঁর অন্যান্য ভাই জনাব সারোয়ার মির্জা, জনাব আক্তার মির্জা, জনাব আজিজ উল্যা ও জনাব আফজল মির্জার সহযোগিতায় ১৯৮৭ সালে নোয়াখালী জেলার শহরের মাইজদী বাজারে মেসার্স হাবিব ভেজিটেবল প্রোডাক্টস লিঃ স্থাপিত হয়। প্রাথমিক পর্যায়ে ব্যাংকের অর্থায়ন এবং নিজেদের অর্থসহ প্রায় ১২ কোটি টাকার মূলধন ব্যয়ে পশ্চিম জার্মানীর সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে আন্তর্জাতিক মান সম্পন্ন ভোজ্য তেল শোধানাগার এবং বনস্পতি প্রস্তুতকারী এ বৃহৎ প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ৫ একর ভূ-সম্পত্তির উপর স্থাপিত। বৎসরে প্রায় ৫৪ হাজার টন তৈল উৎপাদনে সক্ষম এ প্রকল্পে ১৯৮৮ সাল থেকে উৎপাদন শুরু হয়েছে। এ বৃহৎ প্রতিষ্ঠানটিতে বর্তমানে ৩০০ শ্রমিক কর্মচারী নিয়োজিত থেকে জেলার বেকার সমস্যা সমাধানসহ জাতীয় অর্থনীতি উন্নয়নে বিশেষ অবদান রাখছে। চেয়ারম্যান আলহাজ্ব হাবিবুর রহমান এর মৃত্যর পর তাঁর উত্তরসূরী ভাইস চেয়ারম্যান জনাব সারোয়ার মির্জা, ব্যবস্হাপনা পরিচালক জনাব আফজল মির্জা সমন্বয়ে পরিচালনা পর্ষদের তত্ত্বাবধানে এ বৃহৎ প্রতিষ্ঠানটি আর্থিক সমস্যা এবং লোকসানের সম্মুখীন হলে তাঁদের অগ্রজ জনাব আনোয়ার মির্জার নিকট প্রতিষ্ঠানটি বিক্রি করে দেন। সে থেকে অদ্যাবধি উৎপাদন প্রক্রিয়া অব্যাহত আছে।

আল আমিন ব্রেড এন্ড বিস্কুটস্ লিঃ
মেসার্স আল আমিন ব্রেড এন্ড বিস্কুটস্ ফ্যাক্টরী ১৯৭৬ সালে নোয়াখালী জেলার কেন্দ্রস্থল মাইজদী বাজারে স্থাপিত হয়। মাইজদী বাজারস্থ জেলা শহরের প্রধান সড়কের পশ্চিম পার্শ্বে অবস্থিত এককালের ঐতিহ্যবাহী মোহাম্মদী বিস্কুট ফ্যাক্টরী এবং চৌমুহনী বাজারে স্থাপিত মোস্তফা বিস্কুট ফ্যাক্টরীর মালিক আলহাজ্ব জনাব হাবিবুর রহমানের প্রেরণায় তাঁরই বড় ছেলে জনাব আনোয়ার মির্জার উদ্যোগে এবং অক্লান্ত পরিশ্রমে ব্যক্তি মালিকানায় ব্যাংক ঋণ এবং নিজস্ব অর্থায়নে প্রায় ৪০ লক্ষ টাকা পুঁজি বিনিয়োগে ১৯৭৭ সালে মেসার্স আল-আমিন ব্রেড এন্ড বিস্কুট ফ্যাক্টরীর  ১ম ইউনিটের উৎপাদন শুরু হয়। প্রায় ২ একর সম্পত্তির উপর অবস্থিত আধুনিক প্রযুক্তিতে নির্মিত এ ফ্যাক্টরীতে বর্তমানে ৩ ইউনিটে উৎপাদন চলছে। প্রতিদিন আনুমানিক ২০ টন বিভিন্ন উন্নত মানের বিস্কুট উৎপাদনে সক্ষম এ ফ্যাক্টরীতে জেলার প্রায় ১০ হাজার পরিবারের আর্থিক সংকট নিরসনে বিশেষ অবদান রাখছে। এ ফ্যাক্টরীর উৎপাদিত বিস্কুটস্ সামগ্রী সমগ্র দেশে খ্যাতি লাভ করায় দিন দিন এর চাহিদা বাড়ছে। উক্ত প্রকল্পটি স্থাপনে অন্যান্য সহায়তকারী উদ্যোক্তা যারা ছিলেন তারা হলেন জনাব সারোয়ার মির্জা, জনাব আক্তার মির্জা ও আজীজ উল্যা প্রমুখ।

আল-আমিন গ্রুপের চেয়ারম্যান জনাব মোঃ আনোয়ার মির্জা নোয়াখালী জেলা শহরের উপকণ্ঠে বিনোদপুর গ্রামে ৩৩ একর জমি সরকার থেকে লীজ দিয়ে প্রথমে মেসার্স ফারহানা টেক্সটাইল মিলস্ লিঃ স্থাপনের পরিকল্পনা নেন। পরে প্রকল্প পরিকল্পনা পরিবর্তন করে উক্ত স্থানে কোমল পানীয় এর কারখানা স্থাপন করেন। বর্তমানে উক্ত প্রকল্প চালু আছে। এতে নোয়াখালী জেলার কয়েক হাজার বেকার যুবক ও যুবমহিলার কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়েছে। একই সাথে প্রতিষ্ঠানটি জাতীয় অর্থনীতিতে বিশেষ অবদান রাখছে।

গ্লোব এগ্রো ফিশারিজ লিঃ
এ প্রকল্পটি নোয়াখালী উপকূলীয় এলাকার অন্যতম বড় প্রকল্প। প্রায় ২২০ একর ভূ-সম্পত্তির উপর ৮৮টি পুকুর খনন করে এ প্রকল্প কাজ শুরু করেছে। নোয়াখালী জেলার সুবর্ণচর উপজেলার চর বাগ্গাতে স্থাপিত এ প্রকল্পের প্রধান উদ্যোক্তা জনাব মোঃ হারুন রশীদ ও জনাব মোঃ মামুনুর রশীদ।
মৎস্য চাষে অভিজ্ঞ মহলের ধারণা এ সকল প্রকল্প পুরোপুরি বাস্তবায়ন এবং বাণিজ্যিক উৎপাদনে সফল হলে নোয়াখালীবাসী আর্থিকভাবে খুব উপকৃত হবে এবং জাতীয় অর্থনীতিতে এ সকল উজ্জ্বল সম্ভাবনাময় প্রকল্প বিশেষ অবদান রাখবে।

আল-আমিন ফিশারিজ লিঃ
এ প্রকল্পটি নোয়াখালী উপকূলীয় এলাকার অন্যতম বড় প্রকল্প। প্রায় ৩০০ একর সম্পত্তির উপর শতাধিক পুকুর খনন করে এ প্রকল্পের কাজ শুরু  হয়। নোয়াখালী জেলার সুবর্ণচর উপজেলার হাতিয়া স্টিমার ঘাট সংলগ্নে স্থাপিত এ প্রকল্পের প্রধান উদ্যোক্ত জনাব আনোয়ার মির্জা। প্রকল্পটি মৎস্য উৎপাদন করে জাতীয় অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে।

পত্রপত্রিকা 

পত্রিকার নাম
প্রকার
প্রকাশের সময়
সম্পাদকের নাম
যোগাযোগের ঠিকানা
দৈনিক নোয়াখালী বার্তা
দৈনিক
২০০৫ খ্রিঃ
মোঃ আবদুল কাদের
উত্তর ফকিরপুর, কদমতলী, মাইজদী কোর্ট, নোয়াখালী। ০৩২১-৬৩২৪১
০১৭১৮-১৭৭৬৮
দৈনিক জাতীয় নূর
দৈনিক
১৯৯৪ খ্রিঃ
আবুল কালাম ভূঁইয়া
কৃষ্ণরামপুর, জেনারেল হাসপাতাল সড়ক, মাইজদী কোর্ট, নোয়াখালী।
০৩২১-৬২২৫২, ০১৭১১-০৫১২১৭
অবয়ব
দৈনিক
মুহম্মদ আবুল হাসেম
পাঁচ রাস্তার মোড়, মাইজদী কোর্ট, নোয়াখালী। ০৩২১-৬৩০২, ০১৭১১৭৮১৭২৩
দৈনিক সচিত্র নোয়াখালী
দৈনিক
২০০২ খ্রিঃ
মোঃ আমিরুল ইসলাম হারুন
ইউরো শপিং কমপ্লেক্স, পুরাতন বাস স্ট্যান্ড, মাইজদী কোর্ট, নোয়াখালী।
০৩২১-৭১০৭২, ০৭১৭৬-৯১৯৪২৮
দৈনিক জাতীয় নিশান
দৈনিক
১৯৭৮ খ্রিঃ
কাজী মোঃ রফিক উল্যাহ
দৈনিক জাতীয় নিশান কার্যালয়, চৌমুহনী, নোয়াখালী। ০৩২১-৫১৮৬৪
০১৭১৬-৭৮২৯২৬
দৈনিক জনতার অধিকার
দৈনিক
২০০৪ খ্রিঃ
মোহাম্মদ ফারুক এডভোকেট
নোয়াখালী পল্লীভবন, (বিআরডিবি ভবন নীচ তলা), প্রধান সড়ক (সিনেমা হলের দক্ষিণ পার্শ্বে), মাইজদী কোর্ট, নোয়াখালী। ০৩২১-৬২৭১৭, ০১৭১২০৯৮০২৪
দৈনিক নোয়াখালীর প্রত্যাশা
দৈনিক
২০০৭ খিঃ
সিরাজ উদ্দিন হেলাল
পৌর সুপার মার্কেট, ২য় তলা, মাইজদী কোর্ট, নোয়াখালী।
০১৭১২-২৬৭২২৭
দৈনিক নোয়াখালীর খবর
দৈনিক
১৯৯৩
আ.ম.ম. আনোয়ার বিএসসি
কালার গ্রাফিক্স এবং কম্পিউটার, হকার্স মার্কেট, মেইন গলি (২য়তলা)চৌমুহনী, নোয়াখালী। ০৩২১-৫৩৬১০
দৈনিক সফল বাতাঁ
দৈনিক
২০০৯ খ্রিঃ
অধ্যাপক লিয়াকত আলী খান
খান ভবন, লক্ষ্মীনারয়ণপুর, মাইজদী কোর্ট, নোয়াখালী। ০৩২১-৬১৭৭২
০১৭১১৭৮১০৪১
আজকাল পত্র
সাপ্তাহিক
২০০৩ খ্রিঃ
আবুল হাসান রুনু
ব্রাদার্স মিডিয়া সেন্টার, পুরাতন বাসস্ট্যান্ড, মাইজদী কোর্ট, নোয়াখালী।
০১৮১৯-৮৫৫০৭৮
সাপ্তাহিক চলমান নোয়াখালী
সাপ্তাহিক
২০০২ খ্রিঃ
মাহমুদুল হাসান (রুদ্র মাসুদ)
ব্যাংক রোড (চৌমুহনী সাংবাদিক ইউনিটি অফিসের ওপরে), ৩য় তলা, চৌমুহনী, নোয়াখালী। ০৩২১-৫১৩৬৬
www.chalomannoakhali.com