Most Trusted Top 10 PTC Site
আজ
আমি আপনাদের বিস্তারিত জানাবো কিভাবে সঠিক ভাবে ইন্টারনেট থেকে আয় করতে
হয়। ইন্টারনেটে আয় সম্পর্কে অনেকরই অনেক ধারনা আছে, অনেকে ভাবেন এটি
সম্পুর্ন ভুয়া অথবা কোন নির্দিস্ট কাজ না জানলে আয় করা সম্ভব নয়। প্রথমেও
আমি এমন মনে করেছিলাম কিন্তু শখের বসে কাজ করতে গিয়ে এটি নেশায় পরিনত হয়।
কারন প্রতিদিন আমরা কত সময় কত কাজে ব্যয় করি, কিন্তু একটু বুদ্ধি খাটিয়ে
দৈনিক মাত্র ২০-৩৫ মিনিট ব্যয় করে মাসে নুন্যতম ৪০$-৫০$ আয় করা সম্ভব।
ইন্টারনেটে আয় এর অন্যতম উপায় হচ্ছে পিটিসি সাইট থেকে। প্রথমেই আপনাদের বলি আপনি যদি কোন কাজ এ দক্ষ হয়ে থাকেন ( যেমন গ্রাফিক্স ডিজাইন, কোন প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ বা অন্য যেকোন ধরনের সফটওয়্যারে) যদি আপনার দক্ষতা থেকে থাকে তাহলে পিটিসি সাইটে কাজ করে নিজের মূল্যবান সময় নষ্ট করবেন না দয়া করে, সেক্ষেত্রে আপনি ফ্রিল্যান্সিং করে অধিক আয় করতে পারবেন, পিটিসি শুধু মাত্র তাদের জন্য যারা আমার মত অর্থাৎ যারা অনলাইনে আড্ডামেরে সময় নষ্ট করেন বা যাদের ফ্রী সময় আছে কিন্ত কোন কাজ পারেন না, তাহলে তাদেরকে বলছি, শুনুন শুধুমাত্র আপনার যদি ধৈর্য থেকে থাকে তাহলেই আপনি অনলাইন থেকে ইনকাম করতে পারবেন।প্রতিমাসে 100$ ইনকাম করারজন্য আপনাকে প্রতিদিন ৩০ মিনিট থেকে ১ ঘন্টা সময় ব্যায় করতে হতে পারে তবে আপনি কাজ শুরু করার প্রথম মাস থেকেই এত টাকা ইনকাম করতে পারবেন না। আপনাকে ধরে নিতে হবে যে প্রথম দুই মাস আপনার কোন ইনকাম হবেনা তাই ধৈর্যহারা না হয়ে কাজ করে যান নিরবে।আমাদের দেশে কাজের সাথে কাজের পারিশ্রমিকের কোন মিল নেই, মিল নেই ইনকাম এর সাথে খরচের। সবাই শুধু চিন্তা করে ইশ যদি ইনকামটা আর একটু বাড়ানো যেত তাহলে হয়ত আর একটু ভালো বাসাতে থাকা যেত। আর যারা ছাত্র তারা চিন্তা করে বাসা থেকে যদি আর একটু টাকা পয়সা বেশিদিত তাহলে হয়তো আরো একটু ভাল ভাবে চলতে পারতাম। তবে একটা কথা আপনাদের বলতে চাই পিটিসি কাজটাকে কেউ কারো মেইন কাজ হিসাবে নিবেননা দয়া করে। প্রতিমাসে এক্সট্রা একটু ইনকাম এর জন্য যে কাজ সেটা যেন এক্সট্রা কাজ হিসাবেই থাকে। পিটিসি সাইটে কাজ করে বাংলাদেশের অনেকেই সফলতা পেয়েছেন।
ইন্টারনেটে আয় এর অন্যতম উপায় হচ্ছে পিটিসি সাইট থেকে। প্রথমেই আপনাদের বলি আপনি যদি কোন কাজ এ দক্ষ হয়ে থাকেন ( যেমন গ্রাফিক্স ডিজাইন, কোন প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ বা অন্য যেকোন ধরনের সফটওয়্যারে) যদি আপনার দক্ষতা থেকে থাকে তাহলে পিটিসি সাইটে কাজ করে নিজের মূল্যবান সময় নষ্ট করবেন না দয়া করে, সেক্ষেত্রে আপনি ফ্রিল্যান্সিং করে অধিক আয় করতে পারবেন, পিটিসি শুধু মাত্র তাদের জন্য যারা আমার মত অর্থাৎ যারা অনলাইনে আড্ডামেরে সময় নষ্ট করেন বা যাদের ফ্রী সময় আছে কিন্ত কোন কাজ পারেন না, তাহলে তাদেরকে বলছি, শুনুন শুধুমাত্র আপনার যদি ধৈর্য থেকে থাকে তাহলেই আপনি অনলাইন থেকে ইনকাম করতে পারবেন।প্রতিমাসে 100$ ইনকাম করারজন্য আপনাকে প্রতিদিন ৩০ মিনিট থেকে ১ ঘন্টা সময় ব্যায় করতে হতে পারে তবে আপনি কাজ শুরু করার প্রথম মাস থেকেই এত টাকা ইনকাম করতে পারবেন না। আপনাকে ধরে নিতে হবে যে প্রথম দুই মাস আপনার কোন ইনকাম হবেনা তাই ধৈর্যহারা না হয়ে কাজ করে যান নিরবে।আমাদের দেশে কাজের সাথে কাজের পারিশ্রমিকের কোন মিল নেই, মিল নেই ইনকাম এর সাথে খরচের। সবাই শুধু চিন্তা করে ইশ যদি ইনকামটা আর একটু বাড়ানো যেত তাহলে হয়ত আর একটু ভালো বাসাতে থাকা যেত। আর যারা ছাত্র তারা চিন্তা করে বাসা থেকে যদি আর একটু টাকা পয়সা বেশিদিত তাহলে হয়তো আরো একটু ভাল ভাবে চলতে পারতাম। তবে একটা কথা আপনাদের বলতে চাই পিটিসি কাজটাকে কেউ কারো মেইন কাজ হিসাবে নিবেননা দয়া করে। প্রতিমাসে এক্সট্রা একটু ইনকাম এর জন্য যে কাজ সেটা যেন এক্সট্রা কাজ হিসাবেই থাকে। পিটিসি সাইটে কাজ করে বাংলাদেশের অনেকেই সফলতা পেয়েছেন।
প্রথমেই
আসি যে পিটিসি (PTC) সাইট কি?, PTC এর পুর্ন মিনিং হচ্ছে "Paid To Click"
অর্থাৎ বিভিন্ন বিজ্ঞাপন দাতারা যাদের বিজ্ঞাপনের বাজেট কম তারা তুলনামুলক
কম মুল্যে পিটিসি সাইটে এড দেয় এবং আমার আপনার মত লোকজন সেই এড গুলো দেখি
এবং এই এড গুলো দেখার বিনিময়ে পিটিসি সাইট গুলো আমাদের অর্থ প্রদান করে।
আপনাকে সাইট গুলো প্রতিদিন একটি নির্দিস্ট পরিমান এড দিবে এবং আপনি সেই এড
গুলো দেখবেন এবং প্রতি এড দেখার বিনিময়ে আপনাকে ২সেন্ট পর্যন্ত পে করবে।
এছাড়া আপনার রেফারেলে কেউ যদি ওই সাইটে রেজিস্ট্রেশন করে, তবে তাদের দেখা প্রতি এডের বিনিময়ে আপনি পাবেন সর্বোচ্চ ১সেন্ট করে। আমি আপনাদের যে সাইট গুলোর সন্ধান দেবো সেগুলো তে প্রতিদিন ৫টি করে এড দেখতে হয় এবং পিটিসি কাজ সম্পর্ক যানেন তাদের জন্য এই পোষ্ট নয় যারা নতুন তাদের যন্যই আমার এই খুদ্র প্রয়াস। ইনটারনেট অনেক পিটিসি সাইট আছে যার বেশির ভাগই ভুয়া (scam) পেমেন্ট করেনা। তাই সবার কাছে অনুরোধ থাকবে কোন সাইট দেখেই কোন খোজ খবর না নিয়ে কাজ করা শুরু করবেন না যেন। যে সাইটে কাজ করবেন তার সম্পর্কে গুগলে (google) এ সার্চ করুন সাইটি সম্পকে বিস্তারিত যানুন। যদি সাইটি সম্পর্কে স্ক্যাম (scam) হিসেবে কোন তথ্যপান তাহলে ভুলেও সেই সাইটে কাজ করে সময় নষ্ট করবেন না। এড দেখার নিয়মটা প্রত্যেক সাইটের জন্যই এক তবুও কিছু নমুনা আপনাদের দেখাচ্ছি।

১. প্রথমে সাইটে লগিন করুন।

২. View Adds অথবা Surf adds এ ক্লিক করুন।

৩. কতগুলো বিজ্ঞাপনের লিস্ট দেখতে পাবেন, যে কোন একটিতে ক্লিক করুন।

৮. ক্লিক করার পর লাল অথবা নীল ছোট বাটন দেখতে পাবেন, আবার ক্লিক করুন।

৯. আপনাকে একটি নির্দিস্ট সময় বিজ্ঞাপনটি দেখতে হবে (ম্যাক্সিমাম ৩০সেকেন্ড)।

১০. তারপর আপনার অ্যাকাউন্ট এ সরাসরি ওই এডের জন্য নির্ধারিত ডলার জমা হবে।

অথবা কিছু সাইটে ক্যাপচা ভ্যারিফাই করে নিতে হবে। অনেক সাইটে ইংরেজী বর্ণমালার ৫ টি বর্ণ দেখতে পাবেন ( উদাহরন সরুপ X = HSXD) অথবা (6=2569) এই রকম যদি দেখায় তাহলে আপনাকে ডানদিক থেকে X অথবা 6 এর উপরে ক্লিক করতে হবে। সহজ কথায় বাদিকে যে বর্ণটি দেখাবে ডানদিক থেকে একই বর্ণতে ক্লিক করতে হবে। যখন দেখবেন "You have been credited $0.01" অথবা "You have been credited for chicking the advertisement" এই রকম একটা ম্যাসেজ দিয়েছে তখন বুঝবেন আপনার কাজ শেষ।
শুধু কাজ করলেই হবেনা কাজ করে সেই টাকা হাতেও আনতে হবে। প্রায় সব পিটিসি সাইট এলার্টপে সাপোর্ট করে তাই আপনার যদি এলার্টপে একাউন্ট না থেকে থাকে তাহলে এখান থেকে এলার্টপে একাউন্ট করে নিন। অ্যাকাউন্ট করার সময় আপনার সঠিক তথ্য গুলো দিবেন, কোন ফেক বা মিথ্যা তথ্য দিবেন না অ্যাকাউন্ট করার পর আপনার মোবাইল নাম্বার দিয়ে ভেরিফাই করে নিন। চলুন দেখে নেই কিভাবে করবেন।
১. অ্যাকাউন্ট খোলার পর আপনার ইমেইল এড্রেস থেকে প্রথমে এলার্টপে একাউন্ট এক্টিভেট করুন।

২. তারপর এলার্টপে একাউন্ট এ লগিন করুন এবং Profile ক্লিক করুন।

৩. তারপর "Vitrification" ক্লিক করুন।

৪. অনেক গুলো ভেরিফিকেশন অপশন দেখতে পারবেন, ৩নং অপশন এ আপনার মোবাইল নাম্বার দিয়ে ভেরিফাই করে নিন। একদম সহজ, আপনার মোবাইল নাম্বার দিবেন, আপনার মোবাইলে মেসেজের মাধ্যমে একটি কোড আসবে এবং সেই কোড যথাস্থানে বসিয়ে ভেরিফাই করে নিবেন। এছাড়া আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট অথবা আপনার ক্রেডিট কার্ড ভেরিফাই করে নিন।
দেশে টাকা আনার উপায়:
এলার্টপে একাউন্ট থেকে ৪টি ভিন্ন ভিন্ন উপায়ে টাকা আনা যায়। পদ্ধতিগুলো হল - চেক, ক্রেডিট কার্ড, ব্যাংক ট্রান্সফার এবং ব্যাংক ওয়্যার।
১) চেক:
এই পদ্ধতিতে একটি চিঠির মাধ্যমে চেক পাঠানো হয়। চেকের জন্য এলার্টপে-কে ৪ ডলার ফি দিতে হয় এবং একাউন্টে সর্বনিম্ন ২০ ডলার হলে চেকের জন্য আবেদন করা যায়। আবেদন করার ২ দিনের মধ্যে একটি চেক আপনার ঠিকানায় পাঠানো হবে, যা হাতে পেতে ২ থেকে ৩ সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে। চেকটি ডলারে পাঠানো হয় তাই যেসব ব্যাংক ডলারে চেক গ্রহণ করে সেখানে এটি জমা দিতে হবে। সরকারী ব্যাংকের মাধ্যমে চেক থেকে টাকা তুলতে অল্প একটা ফি দিতে হয়, তবে সময় বেশি নিবে। আর বেসরকারী ব্যাংকে তুলনা মূলকভাবে বেশি ফি দিতে হবে কিন্তু সময় অনেক কম লাগবে। যাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট কিংবা ক্রেডিট কার্ড নেই তাদের জন্য এটি খুব দরকারি, সময় একটু বেশি লাগলেও ঝামেলা কম। প্রথম প্রথম যখন আপনার আয় কম থাকবে তখন এই পদ্ধতি ইউজ করতে পারেন। পরে আয় বাড়লে মাস্টার কার্ড নিয়ে নিতে পারেন। তবে সাবধান, আপনার এলার্ট পে অ্যাকাউন্টে আপনার ঠিকানা সঠিক ভাবে দিবেন এবং " চেক" পাঠানোর আগে ঠিকানা ভালো ভাবে চেক করে দিবেন।
২) ক্রেডিট কার্ড:
যাদের ভিসা বা মাস্টারকার্ড রয়েছে তারা এই পদ্ধতিতে খুব সহজেই টাকা আনতে পারবেন। এলার্টপে সাইটে ক্রেডিট কার্ডের কথা বলা হলেও এটি ডেবিট কার্ডও সাপোর্ট করে। আমারদের দেশে বেশিরভাগ ফ্রিল্যান্সারদের Payoneer ডেবিট মাস্টারকার্ড রয়েছে। তারাও এই কার্ডে সহজেই টাকা আনতে পারবেন। এজন্য প্রথমে এলার্টপে সাইটে কার্ডটি যোগ করতে হবে। কার্ডটি যাচাই করার জন্য এলার্টপে আপনার কার্ড থেকে ১ থেকে ২ ডলারের মধ্যে একটি অর্থ এলার্টপে একাউন্টে নিয়ে আসবে। এরপর Payoneer সাইটে লগইন করে দেখতে হবে কত ডলার লেনদেন হয়েছে এবং সেই পরিমাণটি এলার্টপে সাইটে এসে একটি টেক্সটবক্সে প্রবেশ করাতে হবে। সঠিকভাবে ডলারের পরিমাণটি বলতে পারলে আপনার কার্ডটি অর্থ লেনদেনের জন্য উপযোগী হবে। লক্ষ্যণীয় যে, আপনার এলার্টপে একাউন্টে অর্থ লেনদেনের মূল মূদ্রা হিসেবে ইউরো থাকলে কার্ড যাচাইয়ের পূর্বেই ডলারে পরিবর্তন নিতে হবে। অন্যথায় সঠিকভাবে কার্ডটি যাচাই হবে না। এলার্টপে থেকে কার্ডে প্রতিবার লেনদেনে ৫ ডলার ফি দিতে হয় এবং সর্বনিম্ন ১০ ডলার উঠানো যায়, যা ৩ থেকে ৪ দিনের মধ্যে কার্ডে সরাসরি চলে আসে। এরপর নিকটস্থ ATM (যেগুলো মার্সারকার্ড সাপোর্ট করে - যেমন DBBL, Standard Chartered Bank) থেকে যে কোন সময় টাকা তোলা যায়। যাদের Payoneer মাস্টারকার্ড নেই তারা www.vworker.com সাইটে রেজিষ্ট্রেশন করে একটি কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারেন। মাস্টারকার্ডটি নিয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে এই লিংক থেকে।
৩) ব্যাংক ট্রান্সফার:
এলার্টপে থেকে বাংলাদেশে ব্যাংক ট্রান্সফারের মাধ্যমে টাকা আনা যায় না। তবে যাদের Payoneer মাস্টারকার্ডে US Virtual Account নামক সার্ভিসটি আছে তারা এই পদ্ধতিতে মাত্র ০.৫ ডলারের বিনিময়ে কার্ডে টাকা আনতে পারেন। আর সময় লাগে মাত্র ২ থেকে ৩ দিন। যারা এক বছর থেকে Payoneer কার্ডটি ব্যবহার করছেন তারা এই US Virtual Account এর জন্য Payoneer সাইটে আবেদন করতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনাকে যুক্তরাষ্ট্রের First Bank of Delaware নামক ব্যাংকের একটি ভার্চুয়াল একাউন্ট দেয়া হবে। এই ব্যাংকের সাথে মাস্টারকার্ডটি যুক্ত থাকে। অর্থাৎ কেউ যদি আপনার ওই ব্যাংক একাউন্টে টাকা পাঠায় তখন এটি সরাসরি আপনার কার্ডে জমা হয়ে যাবে। তবে এই ব্যাংক একাউন্ট থেকে কখনও অন্যকে আপনি টাকা পাঠাতে পারবেন না, শুধুমাত্র গ্রহণ করতে পারবেন। এলার্টপে সাইটে এই ব্যাংক একাউন্টটি যুক্ত করতে প্রথমে Add Bank Account পৃষ্ঠায় গিয়ে দেশ হিসেবে United States সিলেক্ট করতে হবে। তারপর Bank Transfer সিলেক্ট করে একাউন্টটির নাম্বার, ABA Routing নাম্বার, ব্যাংকের নাম ইত্যাদি তথ্য দিতে হবে, যা Payoneer সাইট থেকে পাওয়া যাবে। এরপর এলার্টপে থেকে আপনার একাউন্টে ১ ডলারের কম দুটি অল্প অর্থ পাঠানো হবে যা Micro Deposit নামে পরিচিত। দুই দিন পর Payonner সাইটে লগইন করে ডলার দুটি দেখতে পাবেন। এই দুটি লেনদেনের পরিমাণ এলার্টপে সাইটে এসে দুটি টেক্সটবক্সে প্রবেশ করতে হবে। সফলভাবে প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে পারলে আপনি সবচেয়ে কম খরচে এলার্টপে থেকে টাকা দেশে আনতে পারবেন।
৪) ব্যাংক ওয়্যার:
যাদের কোন ভিসা বা মাস্টারকার্ড নেই তারা এই পদ্ধতিতে দেশের ব্যাংকে সরাসরি টাকা আনতে পারবেন। এটি সাইটের সবচেয়ে ব্যয়বহুল পদ্ধতি। এক্ষেত্রে খরচ পড়বে ১৫ ডলার এবং সর্বনিম্ন ৪০ ডলার হলে এই পদ্ধতিতে টাকা উঠানো যাবে। ব্যাংক ওয়্যারের মাধ্যমে বাংলাদেশে আপনার ব্যাংক একাউন্টে টাকা আসতে প্রায় এক সপ্তাহের মত সময় লাগবে। ব্যাংক ওয়্যারের জন্য প্রথমে সাইটে আপনার ব্যাংক একাউন্টের নাম্বার, ব্যাংক কোড, ব্রাঞ্চ কোড এবং SWIFT BIC যোগ করতে হবে, যা আপনার ব্যাংকে যোগাযোগ করে তথ্যগুলো সংগ্রহ করতে পারেন।
এখন আপনাদের দেখাবো এলার্টপে একাউন্টে কিভাবে আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট যোগ করবেন।

১. এলার্টপে একাউন্ট এ লগিন করে Overview ক্লিক করুন, তারপর "Add a bank account" ক্লিক করুন।


২. তারপর সঠিক ফিল্ডে আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টের প্রয়োজনীয় ইনফর্মেশন গুলো ফিল আপ করে এলার্টপে একাউন্ট এ আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট টি Add করুন।
এই অ্যালার্ট পে অ্যাকাউন্ট আপনার অনলাইন ব্যাংক হিসাবে কাজ করবে এবং পিটিসি সাইট গুলো আপনাকে আপনার অ্যালার্ট পে অ্যাকাউন্ট এ পে করবে, তারপর আপনি সেই পেমেন্ট আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে অথবা Visa বা Master ক্রেডিট/ডেবিট কার্ডে কিছু চার্জের বিনিময়ে ওয়িথড্র করে নিয়ে আসবেন।
যেহেতু বেশিরভাগ পিটিসি সাইট ভুয়া তাই নতুনদের জন্য খোজ খবর করে এমন কিছু পিটিসি সাইটের ঠিকানা আপনাদের দিব যেসব সাইট রেগুলার তার ওয়ারকারদের নিয়মিত পে করে। আশাকরি নিচের সাইট গুলোতে কাজ করলে আপনারা প্রতারিত হবেননা। তবুও সন্দেহ থাকলে গুগলে সার্চ দিয়ে যাচাই করে নিন। আর নতুন কোন সাইটে কাজ করতে চাইলে গুগলে সার্চ দিয়ে ভালো ভাবে যাচাই করে নিবেন, আবারও বলি যদি কোন সুত্রে বা উপায়ে স্ক্যাম হিসাবে তথ্য পান তবে ভুলেও ওই সাইটে কাজ করবেন না, তাহলে আপনার পরিশ্রমটাই বৃথা যাবে।
**কিছু বিষয় অবশ্যই লক্ষ রাখবেন,
১. একটি পিসি অর্থাৎ একটি আইপি এড্রেস থেকে কোন পিটিসি সাইটে একটি মাত্র অ্যাকাউন্ট করা যাবে।
২. একই আইপি থেকে একাধিক অ্যাকাউন্ট করার চেস্টা করবেন না এতে ২টি অ্যাকাউন্টই ব্যান হবার সম্ভাবনা থাকে।
৩. আপনি যদি দিনে ১০-১৫ মিনিট সময় এর পিছনে ব্যয় করতে চান তবে নিচের প্রথম ৫টি সাইটে অ্যাকাউন্ট খুলুন, আর যদি ৩০-৪৫মিনিট সময় থাকে তবে নিচের ১ম ১০-১২টি সাইটে অ্যাকাউন্ট খুলুন, এটি অবশ্য আপনার অবসর সময়ের উপর নির্ভর করে।
৪. সবসময় রেফারেলের সংখ্যা বাড়াতে চেস্টা করবেন কারন মুলত রেফারেলের সংখ্যার উপরেই আপনার ইনকামের পরিমান নির্ভর করবে। আপনার রেফারেল লিঙ্ক যেকোন পিটিসি অ্যাকাউন্ট এর ব্যানার অপশন এ থাকবে। ওই লিঙ্কের মাধ্যমে আপনার বন্ধুদের রেজিস্ট্রেশন করান।
৫. অনেক সময় অ্যাকাউন্ট খুলতে ঝামেলা হতে পারে বিশেষত যারা মোবাইল কোম্পানি গুলোর শেয়ারড আইপি ইউজ করে যেমন গ্রামীণ, বাংলালিঙ্ক, রবি, এয়ারটেল ইন্টারনেট। সেক্ষেত্রে যে কোন ভালো আইপি চেঞ্জার সফটওয়্যার যেমন "Platinum Hide IP" ইত্যাদি সফটওয়্যার ইউজ করতে পারেন। শুধু একবার রেজিস্ট্রেশন করে নিলেই হবে। এখানে সফটওয়্যারটির লিঙ্ক দিলাম, প্যাচ ফাইল সাথে দেওয়া আছে।
৬. যেসব অরিজিনাল পিটিসি সাইটে দেখবেন প্রতি ক্লিকে আপনাকে সামান্য বেশি পে করছে বাট মিনিমাম পেমেন্টের পরিমান খুবই বেশি যেমন ১৫$ ২০$ এরকম তখন সেসব সাইটে অ্যাকাউন্ট খুলবেন না কারন রেফারেল ছাড়া সেই মিনিমাম পেমেন্টে পৌছাতে আপনার বছর কাবার হয়ে যাবে।
৭. আপনাদের একটা ছোট্ট হিসাব দেখাই, Suppose আপনি ১০টি অ্যাকাউন্ট খুললেন এলিট এবং লিগিট সাইট মিলিয়ে, প্রত্তেক সাইট দিনে ৪সেন্ট করে পে করে। সুতরাং রেফারেল ছাড়া দিনে ১০টি সাইট থেকে আয় করতে পারবেন ৪০সেন্ট করে এবং মাসে (৪০*৩০)=১২০০সেন্ট মানে ১২ডলার মানে ৮৪০টাকা।
আবার,
ম্যাক্সিমাম সাইট গুলো পার রেফারেল ক্লিকে করে পে করে .৫সেন্ট করে। আপনার যদি ১০জন ডাইরেক্ট রেফারেল থাকে আর তাদের ডেইলি এভারেজ ক্লিক হয় ২.৫ তবে একটি সাইট থেকে আপনার ডেইলি ইনকাম (.৫*২.৫*১০)= ১২.৫সেন্ট + আপনার নিজের ইনকাম ৪সেন্ট= (১২.৫+৪)= ১৬.৫সেন্ট সুতরাং ১০টি সাইট থেকে দৈনিক আয় (১৬.৫*১০)= ১৬৫সেন্ট, সুতরাং ৩০দিনে আয় (১৬৫*৩০)= ৪৯৫০সেন্ট বা ৫০$ (প্রায়) বা ৩৫০০টাকা তেমনি ২০জন রেফারেল বানাতে পারলে প্রতি মাসে ১০০$। তবে প্রতি মাসে আপনি টাকা হাতে আনতে পারবেন না হয়তো দেখা গেলো ৩-৪ মাসে ১৫০$-৪০০$ জমল তখন অ্যালার্টপে কে ৪ডলার ফি দিয়ে চেক নিজের বাসায় নিয়ে আসলেন।
৮. ১০টি সাইটের পিছনে আপনাকে প্রতিদিন সময় ব্যয় করতে হবে ৩০-৪৫মিনিট। একটি একটি করে ১০টি সাইটের এড দেখতে কিন্তু অনেক সময় লাগবে, ৫টি করে সাইট ৫টি টেব এ খুলবেন।
৯. যদি কাজ করার ইচ্ছা থাকে তবে একটু কস্ট করে নিয়মিত কাজ করবেন কারন সাইটে নিয়মিত কাজ না করলে অর্থাৎ দিনে নির্দিস্ট সংখ্যক বিজ্ঞাপন না দেখলে আপনার রেফারেল এর ক্লিকে টাকা পাবেন না এবং একটি নির্দিস্ট সময় ইনএক্টিভ থাকলে আপনার পিটিসি অ্যাকাউন্ট অটোমেটিকেলি ডিলিট হয়ে যাবে। তো শুরু করুন আপনার অনলাইন ক্যারিয়ার।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন